বর্ধমানে পুরনো রেল ওভারব্রিজ ভাঙার সিদ্ধান্ত, যাতায়াত হবে কোন পথে ? চিন্তায় বাসিন্দারা 

বর্ধমানে পুরনো রেল ওভারব্রিজ ভাঙার সিদ্ধান্ত, যাতায়াত হবে কোন পথে ? চিন্তায় বাসিন্দারা 

বর্ধমান রেল স্টেশন লাগোয়া পুরোনো রেল ওভারব্রিজকে বিপদজনক ঘোষণা করা হয়েছিল আগেই।

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমানে পুরনো রেল ওভারব্রিজ ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিল রেল। এই সিদ্ধান্তের জেরে যাতায়াত নিয়ে চিন্তিত বাসিন্দারা। প্রচুর মানুষের যাতায়াতের ভরসা এই রেল সেতু। তা ভেঙে ফেললে যাতায়াত কিভাবে সম্ভব তা বুঝে  উঠতে পারছেন না কেউই। বিকল্প রাস্তা তৈরি করে তবেই ভাঙা হোক রেল সেতু দাবি বাসিন্দাদের। রেলের কাছে একই প্রস্তাব দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

বর্ধমান রেল স্টেশন লাগোয়া পুরোনো রেল ওভারব্রিজকে বিপদজনক ঘোষণা করা হয়েছিল আগেই। দুর্ঘটনা এড়াতে সেই সেতুর ওপর দিয়ে ভারি যান চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়। বিকল্প হিসেবে  রাজ্য কেন্দ্র যৌথ উদ্যোগে প্রায় আড়াইশো কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হয় ঝুলন্ত রেল উড়াল পুল। পুজোর আগে সেই ওভার ব্রিজ উদ্বোধন হয়। এখন পুরনো সেতু ভেঙে ফেলার তৎপরতা শুরু করেছে রেল। রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড আরবিএনএল সেই কাজ করবে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। কয়েক দিন আগে হাওড়ার ডিআরএম বর্ধমানে এসে সেই কাজের বিষয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকও করেন।

আর এই খবরেই চিন্তিত এলাকার বাসিন্দারা। নতুন সেতু চালু হলেও তাতে হাঁটাচলা নিষিদ্ধ। সাইকেল, রিকশো, টোটো উঠতে দেওয়া হয় না ওই সেতুতে। ফলে যাতায়াতের জন্য বাসিন্দাদের ভরসা পুরনো সেতুই। এখন সেই সেতু ভাঙা হলে রেল স্টেশন বা শহরে যাতায়াত কিভাবে সম্ভব হবে তা ভেবে উঠতে পারছেন না বাসিন্দারা। তাঁরা বলছেন, বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করে তবেই সেতু ভাঙার কাজে হাত দিক রেল।

ইতিমধ্যেই রেলের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এ ব্যাপারে কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে। ওই সেতুর তলা দিয়ে বিদ্যুত, জলের লাইন গিয়েছে। সেসব সরানোর বিষয়েও কথা হয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প পথের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দিয়েছে জেলা প্রশাসন। জেলা শাসক বলেন, পুরনো সেতু ভাঙতে হবেই। আবার সাধারন মানুষের পক্ষে পায়ে হেঁটে নতুন সেতুতে যাতায়াত সম্ভব নয়। তাই পুরনো সেতু ভাঙার আগে রেলকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

First published: February 27, 2020, 1:06 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर