পুরভোটে টিকিট পাচ্ছেন কে ? বর্ধমানে জোর জল্পনা তৃণমূলের অন্দরে

প্রায় দেড় বছর পুরসভার বোর্ড নেই বর্ধমানে। ফলে নানা কাজ থমকে রয়েছে।

প্রায় দেড় বছর পুরসভার বোর্ড নেই বর্ধমানে। ফলে নানা কাজ থমকে রয়েছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: শাসক দলের টিকিট পাবেন কে ? তাই নিয়েই এখন জল্পনা তুঙ্গে বর্ধমানে। পুরসভা ভোটের ঢাকে কাঠি পড়তেই শুরু হয়ে গিয়েছে টিকিট পাওয়ার লড়াই। চলছে তদবির। নেতাদের অনেকেই চেষ্টা চালাচ্ছেন নিজের মতো করে। সেইসঙ্গে চলছে জল্পনা। ইতিমধ্যেই তালিকা তৈরি করে ফেলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের শহর নেতৃত্ব। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হলেই সেই তালিকায় দলের শিলমোহর পড়বে বলেই দলীয় সূত্রে খবর।

প্রায় দেড় বছর পুরসভার বোর্ড নেই বর্ধমানে। ফলে নানা কাজ থমকে রয়েছে। দীর্ঘদিন পুরসভা ভোট না হওয়ায় বাসিন্দাদের মনে ক্ষোভ জমতে শুরু করেছিল। অবশেষে চলতি বছরের এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে সেই নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বর্ধমানের পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমান জেলার গুসকরা, কাটোয়া, কালনা, দাঁইহাট, মেমারি পুরসভাতেও একই সঙ্গে ভোট হবে। সেই মতো প্রস্তুতিও শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে বর্ধমান পুরসভায় তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত বোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়। পুর নির্বাচন না হওয়ায় প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। সেই থেকেই প্রশাসকের পরিচালনায় চলছে বর্ধমান পুরসভা। অবশেষে এপ্রিলে হতে চলেছে সেই বহু কাঙ্ক্ষিত পুরসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। লোকসভা নির্বাচনে বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্র জিতে নিয়েছিল বিজেপি। বর্ধমান পুরসভা এলাকাতেও তাদের ভালো ফলাফল হয়েছিল। তাই বিজেপির প্রার্থী হওয়ার বিষয়েও আগ্রহী অনেকেই।

তবে আপাতত পাল্লা ভারি শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকেই। লোকসভা ভোটে হারলেও এনআরসি সিএএ ইস্যু ও দিদিকে বলো কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পায়ের তলার মাটি অনেকটাই মজবুত করে ফেলেছে তৃনমূল কংগ্রেস। লোকসভা ভোটের পরে বিজেপি যতটা উজ্জীবিত ছিল এখন তারা সে তুলনায় অনেকটাই মৃয়মান। তাই আবারও বর্ধমান পুরসভা রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসেরই দখলে থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সে জন্যই শাসক দলের প্রার্থী হওয়ার জন্য হিড়িক পড়ে গিয়েছে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে।

Saradindu Ghosh

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: