corona virus btn
corona virus btn
Loading

চুলোচুলির পর থানায় দু’পক্ষ ! শিক্ষিকাদের কাণ্ডকারখানায় সরগরম মেমারি

চুলোচুলির পর থানায় দু’পক্ষ ! শিক্ষিকাদের কাণ্ডকারখানায় সরগরম মেমারি

ঘটনার পর প্রধান শিক্ষিকা ও সহ শিক্ষিকারা একে অপরের বিরুদ্ধে মেমারি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

  • Share this:

#বর্ধমান: প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে সহ শিক্ষিকাদের চুলোচুলি হাতাহাতিকে ঘিরে সরগরম বর্ধমানের মেমারি। প্রথমে বেদম মার, তারপর প্রধান শিক্ষিকাকে তাঁর ঘরেই তালাবন্ধ করে রাখেন সহ শিক্ষিকারা। এমনই ঘটনা ঘটে পূর্ব বর্ধমানের মেমারির রসিকলাল স্মৃতি বালিকা বিদ্যালয়ে। দু’ঘণ্টা পর পুলিশ গিয়ে তালা ভেঙে প্রধান শিক্ষিকাকে উদ্ধার করে। পড়ুয়াদের সামনেই ঘটে এই ঘটনা। ঘটনার খবরে তাজ্জব অভিভাবকরা। ‘কোন শিক্ষার জন্য মেয়েদের স্কুলে পাঠাচ্ছি’, প্রশ্ন অভিভাবকদের। ঘটনার পর প্রধান শিক্ষিকা ও সহ শিক্ষিকারা একে অপরের বিরুদ্ধে মেমারি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

মিড ডে মিলের বন্দোবস্ত নিয়ে গোলমালের সূত্রপাত। শুক্রবার ছুটি নিয়েছিলেন স্কুলের এক কর্মী। এমনটাই জানতেন প্রধান শিক্ষিকা। অন্যদিকে প্রধান শিক্ষিকার জ্বর। তাঁদের দুজনের কাছেই থাকে মিড ডে মিলের ভাঁড়ারের চাবি। নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়ে সকাল নটা নাগাদ ওই কর্মীকে ফোন করে স্কুলে যাওয়ার অনুরোধ জানান প্রধান শিক্ষিকা। কিন্তু অন্তপ্রান্ত থেকে সন্তোষজনক উত্তর না মেলায় স্কুলের পথে পা বাড়ান প্রধান শিক্ষিকা। তিনি গিয়ে দেখেন ওই কর্মীও ততক্ষণে এসে গিয়েছেন স্কুলে।

এরপরই শুরু যত কান্ড। প্রধান শিক্ষিকা নীলিমা ভট্টাচার্য বলেন, আমি তাঁকে বলি আপনি আসবেন জানলে আমাকে আর জ্বর নিয়ে আসতে হতো না। তা শুনেই ওই কর্মী চিৎকার শুরু করেন।

3186_IMG-20200111-WA0006

প্রধান শিক্ষিকার অভিযোগ, হঠাত্ দুই শিক্ষিকা এসে আমাকে মারতে শুরু করে। তুই তুকারি করার পাশাপাশি আমার গলা টিপে ধরে। আমার শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছিল। আমি বসে পড়ি। এরপরই ওই দুই শিক্ষিকা আমাকে বাইরে থেকে তালাবন্ধ করে দেয়। ওরা ঘর থেকে তালা নিয়ে এসেছিল। অনেক বলার পরও তালা না খোলায় কয়েকজন কর্মীকে থানায় পাঠাই। মেমারি থানার পুলিশ এসে তালা ভেঙে আমাকে উদ্ধার করে। আমি হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছি। থানাতেও অভিযোগ দায়ের করেছি।

অভিযুক্ত দুই শিক্ষিকা জানিয়েছেন, প্রধান শিক্ষিকাকে মারধরের অভিযোগ মিথ্যা। প্রধান শিক্ষিকাই উত্তেজিত হয়ে ওই কর্মীকে মারধর করেন। উত্তেজনা কমাতে অন্যান্যরা প্রধান শিক্ষিকাকে ঘরে আটকে রাখেন।

এই স্কুলে গোলমাল চলছিল বেশ কয়েকদিন ধরেই। অভিযোগ, ধর্মঘটের দিন দেরিতে আসা শিক্ষিকাদের হাজিরা খাতায় সই করতে দেননি প্রধান শিক্ষিকা। তাতে ক্ষোভে ফুঁসছিলেন শিক্ষকাদের একাংশ। এই ঘটনা তারই জের।

Saradindu Ghosh

First published: January 11, 2020, 6:36 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर