মাত্রাছাড়া রোগীর চাপে বেসামাল বর্ধমান মেডিকেল !

মাত্রাছাড়া রোগীর চাপে বেসামাল বর্ধমান মেডিকেল !

আউটডোরেও লাগামছাড়া রোগীর চাপ

  • Share this:

#বর্ধমান: রোগীর মাত্রাতিরিক্ত চাপেই নজরদারির করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াচ্ছে বর্ধমান মেডিকেলে। এমনটাই বলছে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ। অনুমোদিত যা বেড রয়েছে রোগী থাকছে তার তিন গুন। আউটডোরেও লাগামছাড়া রোগীর চাপ। সব মিলিয়ে পরিষেবা সামাল দেওয়াই দায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে বর্ধমান মেডিকেলে। শিশু চুরির রেশ কাটতে না কাটতেই হাসপাতালের রাধারানি ওয়ার্ডের বেড থেকে রোগী উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে বর্ধমান মেডিকেল। দুশোর কাছাকাছি সিসিটিভি ক্যামেরায় নজরদারি চলে এই হাসপাতালের প্রতিটি কোনে। রয়েছে বেসরকারি নিরাপত্তা রক্ষী। তার বাইরেও রয়েছে পুলিশ ক্যাম্প ও পর্যাপ্ত সংখ্যক সিভিক ভলান্টিয়ার। তার পরও সদ্যোজাত চুরি, বেড থেকে রোগী গায়েবের মতো ঘটনা কীভাবে ঘটছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বাসিন্দারা। চারদিন নিখোঁজ থাকার পর এদিন রাতে হাসপাতাল থেকে বেশ কিছুটা দূরে রাস্তা থেকে ওই রোগীকে উদ্ধার করে বাড়ি পৌঁছে দেয় পুলিশ।

অব্যবস্হার জন্য অত্যধিক রোগীর চাপকেই দায়ি করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেপুটি সুপার অমিতাভ সাহা বলেন, রাধারাণী ওয়ার্ডে অনুমোদিত বেড চল্লিশটি। কিন্তু সব সময়ই গুরুতর অসুস্থ একশো কুড়ি জনের বেশি রোগী থাকে। এই রোগীর চাপ সামাল দিতে গিয়ে কিছু কিছু ভুলভ্রান্তি হয়েও যাচ্ছে। এ সব ক্ষেত্রে রোগীর আত্মীয়দেরও একটু বাড়তি সচেতন হতে হবে। রোগীর চাপে হাসফাস অবস্থা এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আউটডোরেরও। সকাল থেকেই আউটডোরে রোগীদের দীর্ঘ লাইন পড়ে যাচ্ছে। মেডিসিন, বক্ষ, নাক কান গলা, স্ত্রীরোগ সহ সব বিভাগের সামনেই দীর্ঘ লাইন। সেখানে আবার ডাক্তাররা বসছেন দেরিতে, নির্দিষ্ট সময়ের আগেই তাঁরা উঠে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ। দূর দূরান্ত থেকে এসে ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ডাক্তার না দেখিয়েই ফিরছেন অনেকেই। অনেক সময়ই হাসপাতাল কর্মীরা রোগী ও তাঁদের আত্মীয়দের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ। ডেপুটি সুপার বলেন, রোগীর চাপ থাকলেও খারাপ ব্যবহার কখনোই কাম্য নয়। নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Saradindu Ghosh
First published: February 25, 2020, 4:28 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर