নিরাপত্তারক্ষীদের আচরণে চিন্তিত বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ 

বারে বারেই এই হাসপাতলে নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে রোগীর আত্মীয়দের নিগৃহীত প্রহৃত হওয়ার অভিযোগ উঠছে

বারে বারেই এই হাসপাতলে নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে রোগীর আত্মীয়দের নিগৃহীত প্রহৃত হওয়ার অভিযোগ উঠছে

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিরাপত্তারক্ষীদের আচরন এখন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। বারে বারেই এই হাসপাতলে নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে রোগীর আত্মীয়দের নিগৃহীত প্রহৃত হওয়ার অভিযোগ উঠছে। ইতিমধ্যেই এক নিরাপত্তারক্ষীকে সাত দিনের জন্য বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী ক্ষেত্রে এই ঘটনা ঘটলে কাজ থেকে তাকে বরখাস্ত করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালের এক কর্তা বলেন, হাসপাতালে অবাঞ্ছিত ঘটনা রুখতে, শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই নিরাপত্তারক্ষীদের রাখা হয়েছে। তারাই অশান্তির কারন হয়ে দাঁড়াবে এটা কাম্য নয়। রোগী কল্যাণ সমিতির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে। রোগী নিয়ে উৎকন্ঠার মধ্যে থাকেন আত্মীয় পরিজনরা। এটা নিরাপত্তারক্ষীদের বুঝতে হবে। রোগী বা তাদের পরিজনদের মানসিক অবস্থা মাথায় রেখে বিনয়ের সঙ্গে কাজ করতে হবে। নিরাপত্তারক্ষীদের আচরণ, ব্যবহার কেমন হওয়া উচিত সে ব্যাপারে প্রয়োজনে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

বর্ধমান মেডিকেল রোগীর আত্মীয়দের সঙ্গে নিরাপত্তা রক্ষীদের দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে প্রায়শই।কয়েকদিন আগেই রক্ত দিতে আসা গলসির এক বাসিন্দাকে এক নিরাপত্তারক্ষী লাঠি দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেঅয় বলে অভিযোগ উঠেছিল। ওই ব্যক্তি সেদিন মাস্কে মুখ ঢাকতে ভুলে গিয়েছিলেন। বদলে তিনি রুমাল দিয়ে মুখ ঢেকে নেন। তা সত্ত্বেও তাঁকে হাসপাতাল চত্বর থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়। তিনি যেতে না চাইলে তাঁকে গালিগালাজ, মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের রোগীর আত্মীয়ের গলা টিপে ধরার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালে এক নিরাপত্তা রক্ষীর বিরুদ্ধে। ভাতার থানার বিজয়পুরের জিয়ারুল শেখ নামে এক রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক হওয়ায় তাঁর এক আত্মীয় ভিজিটিং আওয়ারের বাইরে বেশি সময় ওয়ার্ডের ভেতর ছিলেন। সেজন্য তাঁকে গলাধাক্কা দিয়ে বের করে এনে গলা টিপে ধরে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত নিরাপত্তারক্ষীকে সাতদিনের জন্য বসিয়ে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

Saradindu Ghosh

Published by:Ananya Chakraborty
First published: