দক্ষিণবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

রোগীদের বাড়তি খাবার পাবেন অভুক্তরা, অভিনব উদ্যোগ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের

রোগীদের বাড়তি খাবার পাবেন অভুক্তরা, অভিনব উদ্যোগ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের
বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল৷

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে হাজারেরও বেশি রোগীর জন্য ভাত, ডাল, তরকারি, মাছ, ডিম রান্না করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে সেই খাবার বেঁচে যায়।

  • Share this:

#বর্ধমান: বাড়তি খাবার ফেলে না দিয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার মাধ্যমে অভুক্ত বাসিন্দাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নিল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এর ফলে অনেক অসহায় বাসিন্দা, ভবঘুরের পেট ভরবে বলে মনে করা হচ্ছে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিনের দু' বেলা ভাত, ডাল, তরকারির কিছু না কিছু বেঁচেই যায়। সেই বাড়তি খাবার অনেক সময় ফেলে দিতে হয়। তাই খাবার ফেলে নষ্ট না করে অভুক্তদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে তারা শহরের কোনও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার খোঁজ চালাচ্ছে।

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের উদ্বৃত্ত খাবার তারা কোনও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হাতে তুলে দিতে চায়। হাসপাতালের ক্যান্টিন থেকে সেই খাবার নিয়ে যাবে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। এরপর তারা সেই খাবার শহরের অভুক্ত বাসিন্দা, ভবঘুরেদের মধ্যে বিলিয়ে দেবে। এ কাজে উৎসাহী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বর্ধমান শহরে উদ্বৃত্ত খাবার সংগ্রহ করে রেলস্টেশন সহ বিভিন্ন এলাকায় ভবঘুরে, পথবাসীদের মধ্যে পরিবেশন করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠান বাড়ি থেকে উদ্বৃত্ত খাবার সংগ্রহ করে। তাদের নম্বরে ফোন করলে সংস্থার সদস্যরা পৌঁছে যায় সেসব অনুষ্ঠান বাড়িতে। অনেক ক্ষেত্রে তাদের খাবার অনেক রাতেও সংগ্রহ করতে হয়। সেই খাবার স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে বড় রেফ্রিজারেটরেরও ব্যবস্থা করেছে তারা । পরদিন সেই খাবার গরম করে ভবঘুরে সহ পথশিশু, অভুক্ত বাসিন্দাদের মধ্যে বিলি করে থাকে তারা। এমনই কোনও সংস্থাকে এগিয়ে আসার আবেদন জানাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে হাজারেরও বেশি রোগীর জন্য ভাত, ডাল, তরকারি,  মাছ, ডিম রান্না করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে সেই খাবার বেঁচে যায়। হাসপাতালের নিয়ম অনুযায়ী দুপুরের খাবার রাতে পরিবেশন করা যায় না। তাই দু' বেলাই কিছু না কিছু খাবার বেঁচে যায়। সেই খাবার রোগীর আত্মীয়, হাসপাতাল চত্বরে ভবঘুরেদের মধ্যে অনেক সময় বিলিয়ে দিতে হয়। আবার  তা ফেলেও দিতে হয় অনেক ক্ষেত্রেই। বেঁচে যাওয়া খাবার নষ্ট না করে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার মাধ্যমে তা  মানুষের প্রয়োজনের কাজে লাগাতে উদ্যোগী হয়েছে এই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

Saradindu Ghosh

Published by: Debamoy Ghosh
First published: August 24, 2020, 1:46 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर