লকডাউন নিশ্চিত করতে বর্ধমানে রাস্তায় নামলো বিশাল পুলিশ বাহিনী

লকডাউন নিশ্চিত করতে রাস্তায় নামলো বিশাল পুলিশ বাহিনী। বর্ধমান ও মেমারি শহরে চলছে ধরপাকড়।

লকডাউন নিশ্চিত করতে রাস্তায় নামলো বিশাল পুলিশ বাহিনী। বর্ধমান ও মেমারি শহরে চলছে ধরপাকড়।

  • Share this:

    #বর্ধমান: লকডাউন নিশ্চিত করতে রাস্তায় নামলো বিশাল পুলিশ বাহিনী। বর্ধমান ও মেমারি শহরে চলছে ধরপাকড়। বাসিন্দাদের রাস্তার বের হওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হচ্ছে। বিনা প্রয়োজনে রাস্তায় বের হওয়ার অভিযোগে আটকও করা হচ্ছে অনেককে। এদিন মেমারির বিভিন্ন রাস্তা, বাজারে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হয়। লকডাউন মানতে চাইছেন না অনেকেই। নানান অজুহাতে ঘরের বাইরে চলে আসছেন তাঁরা। লক ডাউনের শুরু থেকেই সেই প্রবণতা দেখা গেলেও এখন তা বেড়ে গিয়েছে অনেকটাই। কেন্দ্র করোনা  সংক্রমণ মুক্ত এলাকায় দোকানপাট খোলায় ছাড় দেওয়ায় সেই প্রবণতা আরও অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। রবিবার অক্ষয় তৃতীয়ার দিন সকালে বর্ধমান, মেমারি, কাটোয়া, কালনা সহ শহরগুলিতে বহু মানুষকে রাস্তায় নামতে দেখা যায়। মুদিখানা, ওষুধ বা মিষ্টির দোকানের বাইরে খুলেছে বেশ কিছু দোকানও। বাজারে এদিন ভিড় ছিল অন্যান্য দিনের তুলনায় বেশি।

    বেশি সংখ্যক বাসিন্দাকে রাস্তায় নামতে দেখেই তৎপরতা বাড়ায় প্রশাসনও। বর্ধমান শহরের মূল এলাকাগুলিতে শুরু হয় ধরপাকড়। বর্ধমানের কার্জন গেটের পাশাপাশি বীরহাটা মোড়, পার্কাস রোড মোড়, স্টেশন মোড়, গোলাপবাগ মোড় প্রভৃতি এলাকায় পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়।পথে নামা বাসিন্দাদের ঘরে ফেরাতে কার্যত হিমশিম খেতে হয়েছে পুলিশকে। এরই মধ্যে বর্ধমানের জি টি রোডের ওপর বেশ কিছু দোকান নতুন করে খুলতে দেখা গিয়েছে। বর্ধমানের গোলাপবাগ মোড়ে খুলেছে জুতোর দোকান। বাদামতলা রোডে খুলেছে হার্ডওয়ারের দোকান। জি জি টি রোডের ওপর রঙের দোকান খুলতে দেখা গিয়েছে। খুলেছে বেশ কিছু স্টেশনারি দোকান। চাঁদনি চকে কয়েকদিন  কাপড়ের দোকান খুলেছে। কিছু কিছু করে দোকান খুলেছে বর্ধমানের বড় বাজারের সোনাপট্টিতেও।  যদিও জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, লক ডাউন শিথিল করার মতো কোনো নির্দেশ এখনও জেলায় আসেনি। তাই যে নির্দেশ জারি রয়েছে সেই অনুযায়ী নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ছাড়া অন্য কোন দোকান খোলা যাবে না। লক ডাউন শিথিলের কোন নির্দেশ এলে তা বাসিন্দাদের জানিয়ে দেওয়া হবে। ততদিন পর্যন্ত লকডাউনের কড়াকড়ি  বজায় থাকবে।

    Published by:Akash Misra
    First published: