• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • জীবাণুমুক্ত করা হল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

জীবাণুমুক্ত করা হল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

সে সবের জন্য এলাকায় মশার প্রকোপ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। এসব বিষয়ে নজর দিক পুরসভা। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই সময় পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন।

সে সবের জন্য এলাকায় মশার প্রকোপ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। এসব বিষয়ে নজর দিক পুরসভা। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই সময় পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন।

সে সবের জন্য এলাকায় মশার প্রকোপ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। এসব বিষয়ে নজর দিক পুরসভা। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই সময় পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন।

  • Share this:

 #বর্ধমান: জীবাণু মুক্ত করা হল বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্ত্বর। বুধবার দুপুরে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড স্যানিটাইজড করেন দমকল দফতরের কর্মীরা। এদিন দমকল কর্মীরা বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপার স্পেশালিটি উইং অনাময় হাসপাতালে যান। সেখানেও বিভিন্ন ওয়ার্ড এক প্রস্থ জীবাণুমুক্ত করার কাজ চলে।

এরপর বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপার অফিস সহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ও তার আশপাশ এলাকায় জীবাণুনাশক ছড়ানো হয়। নিয়মিত স্যানিটাইজ করা হচ্ছে জেলা শাসকের অফিসও। সেখানে করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা বিষয়ে বারে বারেই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হচ্ছে। বৈঠকের আগে পরে জীবাণুমুক্ত করার চেষ্টা চলছে জেলা শাসকের কনফারেন্স রুম।

এই সময় এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে জোর দিচ্ছে বর্ধমান পুরসভা কর্তৃপক্ষও। এলাকার জঞ্জাল যাতে নিয়মিত সাফাই হয় সে ব্যাপারে বাড়তি তৎপরতার নির্দেশ দিয়েছে পুরসভা। তবে বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনেক এলাকাতেই আবর্জনা স্তূপাকার হয়ে পড়ে থাকছে। নিয়মিত তা সরানো হচ্ছে না। নর্দমাগুলিও নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা প্রয়োজন। সে কাজেও ফাঁক থেকে যাচ্ছে। ঝাঁট পড়ছে না অনেক এলাকাতেই। বাসিন্দারা বলছেন, এই সময় নিয়মিত এলাকায় ব্লিচিং পাউডার ছড়ানো দরকার। সে কাজ হচ্ছে না।

বিশেষ বিশেষ কিছু এলাকায় মাঝেমধ্যেই ব্লিচিং পাউডার ছড়ানো হয়। আবার কোনও দিনই সেইসব জীবাণুনাশক ছড়ানো হয়নি এমন এলাকাও কম নেই।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বাসিন্দাদের অনেকেই পুরসভার ওপর ভরসা না রেখে নিজেদের উদ্যোগেই দোকান থেকে ব্লিচিং পাউডার কিনে এনে জলে মিশিয়ে বাড়ির চারপাশে ছড়াচ্ছেন। তারা বলছেন, অনেক এলাকায় রাস্তার ধারে আগাছা জন্মে জঙ্গল হয়ে গিয়েছে।

সে সবের জন্য এলাকায় মশার প্রকোপ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। এসব বিষয়ে নজর দিক পুরসভা। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই সময় পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। পুরসভাগুলিকে এ ব্যাপারে তৎপরতা বাড়াতে বলা হয়েছে। সাফাই কর্মীরা প্রতিদিন এলাকায় যাচ্ছেন। তাদের মুখে মাস্ক লাগিয়ে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে বলা হয়েছে।

SARADINDU GHOSH

Published by:Arindam Gupta
First published: