corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনার আতঙ্কের মাঝেই তুলকালাম! শ্মশানের জমি বিক্রি করে আবাসন!

করোনার আতঙ্কের মাঝেই তুলকালাম! শ্মশানের জমি বিক্রি করে আবাসন!

সরাইটিকর এলাকায় গ্রামের একমাত্র শ্মশানের জমি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। সেই জমিতে আবাসন তৈরি হবে এমন অভিযোগ ওঠে।

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান: করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের মাঝেই জমি নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে তুলকালাম হল পঞ্চায়েত। শ্মশানের জমি বিক্রি করে সেখানে আবাসন তৈরির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।  রাজনৈতিক মদতে মোটা টাকায় জমি বিক্রি হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ তুলে পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় বাসিন্দারা। সেখানে এক পঞ্চায়েত কর্মী উপস্থিত হলে তাঁকে হেনস্তা করা হয়। তাকে মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ঘটনাকে ঘিরে সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত সরগরম থাকলো বর্ধমানের সরাইটিকর এলাকা।

পূর্ব বর্ধমানের সরাইটিকর গ্রাম পঞ্চায়েতে সোমবার এই ঘটনা ঘটেছে। জানা গিয়েছে, সরাইটিকর এলাকায় গ্রামের একমাত্র শ্মশানের জমি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। সেই জমিতে আবাসন তৈরি হবে এমন অভিযোগ ওঠে। এলাকার কিছু নেতা ও পঞ্চায়েত সদস্যের মদতে এই  দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ। তারই প্রতিবাদে এদিন গ্রামবাসীরা এক জোট হয়ে সরাইটিকর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে  বিক্ষোভ শুরু করেন।

সেখানে সরাইটিকরের পঞ্চায়েত সদস্য সেখ জামাল এলে তিনি এই ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত এই অভিযোগে তাকে মারধর ও হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। তবে তিনি এই ঘটনার সঙ্গে কোনও ভাবেই জড়িত নন  বলে ওই পঞ্চায়েত সদস্য দাবি করেন। তিনি বলেন, 'গ্রামবাসীরা আমাকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন। তারা পঞ্চায়েত অফিসে এসেছেন শুনে আমি সেখানে যাই'। গোলমালের খবর পেয়ে এলাকায় যায় বর্ধমান থানার পুলিশ। তারা ভিড় হঠিয়ে  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ঠিক কি ঘটেছে তা বিস্তারিত ব্লক প্রশাসনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। ওই জমি শ্মশানের না কোনও ব্যক্তিগত মালিকানাধীন তা দেখা হচ্ছে। শ্মশানের জমি কেউ বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই জমিতে আবাসন তৈরি হবে এমন একটা অভিযোগ শোনা গিয়েছে। লিখিত কোনও অভিযোগ মেলেনি। তবুও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জমি নিয়ে কোনও রকম দুর্নীতি হলে তা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।

Published by: Pooja Basu
First published: March 17, 2020, 7:06 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर