নৃশংস! শুধুমাত্র এই কারণে, স্ত্রীকে জ্যান্ত জ্বালিয়ে ঘরের দরজায় তালা দিয়ে দিলেন স্বামী

নৃশংস! শুধুমাত্র এই কারণে, স্ত্রীকে জ্যান্ত জ্বালিয়ে ঘরের দরজায় তালা দিয়ে দিলেন স্বামী

শুধু তাই নয়, মৃত্যুর আগে চলেছে প্রবল অত্যাচার ৷ এমনকী চিরে দেওয়া হয় দুই পা ৷ এরপরই জ্যান্ত অবস্থায় জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ৷

  • Share this:
#মুর্শিদাবাদ: গ্রামেরই এক মহিলার সঙ্গে স্বামীর বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক। স্বামীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে জ্যান্ত আগুনে পুড়িয়ে খুন করল স্বামী। বাইরে না পালিয়ে আসতে পারে সেজন্য দরজা বন্ধ করে আগুন জ্বালিয়ে দেয় বলেও অভিযোগ। মৃত গৃহবধূর নাম (৩২) রেহেনা বিবি। সোমবার সকালে নওদার শ্যামনগরের ঘটনাটি ঘটে। আগুন জ্বলতে দেখে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আগুন নেভায় । নওদা থানার পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। পুলিশ সুপার অজিত সিং যাদব বলেন, এই ঘটনায় আট জনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ইতিমধ্যে একজনকে  গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। শীঘ্রই গ্রেপ্তার করা হবে বাকিদের। বছর ১১আগে শ্যামনগরের বাসিন্দা জিন্নাত আলী মেয়ে রেহেনা প্রেম করে ওই একই গ্রামের রফিকুল ইসলামকে বিয়ে করে। অভিযোগ, রফিকুল গ্রামেরই এক মহিলার সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। এই নিয়ে প্রায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে গন্ডগোল হত। রেহানাকে মারধরও করা হতো বলে অভিযোগ। অভিযোগ সোমবার সকাল থেকেই মারধোর করছিল রেহানাকে। এরপরে বাড়ির পাশে বাঁশের তৈরি রান্নাঘরের মধ্যে রেহেনাকে আগুন লাগিয়ে দেয়।
বাড়ির কিছুটা দূরে মিস্ত্রিরা কাজ করছিল। আগুন দেখতে পেয়ে ছুটে এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। ওই মিস্ত্রির লক্ষ্য করে ঘরের ভেতর আগুনে পুড়ছে এক মহিলা । বাইরের দিক থেকে দরজা বন্ধ। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আগুন নিভিয়ে পুলিশকে খবর দেয়। নওদা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। মৃতার বাবা জিন্নাত আলী বলেন, ‘গ্রামেরই এক মহিলার সঙ্গে জামাইয়ের অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। এর জন্য আমার মেয়েকে অত্যাচার করত। কখনও ভাবিনি এত নৃশংস ভাবে খুন করে দেবে। আমি ওর শাস্তি চাই।’ মৃতের বোন সাইনা বিবি বলেন, মৃত্যুর আগে অত্যাচার হয়েছে বোনের ওপর। দুটো পা চিড়ে দিয়েছে। তারপরই আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয় জ্যান্ত অবস্থাতেই। যাতে বাইরে না ছুটে আসতে পারে দরজা লাগিয়ে দেয়। পুলিশকে বলেছি ৮ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করেছি তাদের যেন প্রত্যেকের কঠোরতম শাস্তি হয়। Pranab Kumar Banerjee
First published: March 2, 2020, 9:27 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर