• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • লক ডাউনের দোসর মিনিট কুড়ির শিলাবৃষ্টি, বোরো ধান নষ্টে কৃষকদের হাহাকার...

লক ডাউনের দোসর মিনিট কুড়ির শিলাবৃষ্টি, বোরো ধান নষ্টে কৃষকদের হাহাকার...

মাত্র কুড়ি মিনিটের শিলাবৃষ্টি ধুলোয় মিশিয়ে দিল বহু কষ্টের মাঠের ধান।

মাত্র কুড়ি মিনিটের শিলাবৃষ্টি ধুলোয় মিশিয়ে দিল বহু কষ্টের মাঠের ধান।

মাত্র কুড়ি মিনিটের শিলাবৃষ্টি ধুলোয় মিশিয়ে দিল বহু কষ্টের মাঠের ধান।

  • Share this:

#বর্ধমানঃ পাকা ধানে মই বোধ হয় একেই বলে! মাত্র কুড়ি মিনিটের শিলাবৃষ্টি ধুলোয় মিশিয়ে দিল বহু কষ্টের মাঠের ধান। অনেক আশা নিয়ে ধান চাষ করেছিলেন কৃষকরা। ভাল ফলন মিলবে বলে আশাও করেছিলেন তাঁরা। পেকে ওঠা সেই ধান কেটে ঘরে তোলার ব্যবস্থা হচ্ছিল। ঠিক তখনই শিলাবৃষ্টি সব স্বপ্ন মাটিতে মিশিয়ে দিল। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে এমনই ঘটনা ঘটেছে। ভাতার ব্লকের বেশিরভাগ এলাকাতেই শিলাবৃষ্টিতে ধান চাষের দফারফা হয়ে গিয়েছে- বলছেন কৃষকরা।

এমনিতেই লক ডাউনে কাজ হারিয়েছেন অনেকেই। হাতে নগদ অর্থের টান। ধানের ভালো ফলন মিললে তাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে বলে আশা করেছিলেন রাজ্যের কৃষি ভান্ডার হিসেবে পরিচিত পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার ব্লকের বাসিন্দারা। ফলন ভালোই হয়েছিল। সোনা রঙের বোরো ধানে উপচে পড়েছিল মাঠ। কিন্তু সব শেষ করে দিল মাত্র কুড়ি মিনিটের শিলাবৃষ্টি। বুধবার গভীর রাত্রে শুরু হয় কালবৈশাখী ঝড়। তার পাঁচ মিনিট পর মুষলধারায়  শিলা বৃষ্টি শুরু হয়। এর ফলে ভাতারের বেশ কয়েকটা অঞ্চলে বোরো ধানের চাষ খুবই ক্ষতির মুখে পড়েছে।ভাতারের বামুনাড়া, আমারুন ১, আমারুন ২ , মাহাচান্দা ও বনপাশ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বোরো ধানের চাষের বেশিরভাগটাই  ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিজিপুর গ্রামের এক কৃষক জিয়াউল হক জানান, একদিকে লকডাউন এর ফলে এক রকম কাজ হারিয়ে ঘরে বসে আছি। এ বছর বোরো ধানের ভালো ফলন হয়েছিল।তাই আশা করেছিলাম ধান তুলে এই সমস্ত লকডাউন এর কথা ভুলে যাবো। কিন্তু মাত্র কুড়ি মিনিটের শিলাবৃষ্টিতে সব স্বপ্ন মাটিতে মিশে গেল। ভাতার ব্লকের কৃষি আধিকারিক বিপ্লব প্রতিহার জানান, গতকাল রাত থেকেই আমরা ফোনে জানতে পারছি ভাতারের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এখনো পর্যন্ত যা তথ্য পেয়েছি তাতে তিরিশ শতাংশ ক্ষতি হবে বলে মনে হচ্ছে। আমাদের কৃষি দফতরের আধিকারিকরা মাঠে গেছেন। ঠিক কত ক্ষতি হয়েছে তার বিস্তারিত  রিপোর্ট আমরা জেলায় পাঠাবো। কৃষকরা বলছেন, শিলাবৃষ্টিতে বেশিরভাগ ধান ঝরে মাটিতে মিশে গিয়েছে। অনেক শিস ভেঙে কাদায় মিশে গিয়েছে। তার ওপর জল জমে গিয়েছে জমিতে। প্রচুর ফলন হবে ভেবেছিলাম। সেই ধান কাটার মুখে এসে দেখছি কিছুই মিলবে না। কি করে এখন সংসার চলবে তা ভেবে পাচ্ছি না।

Saradindu Ghosh

Published by:Shubhagata Dey
First published: