পথের ধারের ঝোপে ব্যাগভর্তি বোমা! বর্ধমানের পর এবার শোরগোল 'কেষ্ট-গড়ে'

বোমা উদ্ধার বীরভূমে

পুলিশ প্রায় ৪০টি তাজা বোমা উদ্ধার করেছে। পথের ধারে ঝোপের মধ্যে ওই ব্যাগটি রাখা ছিল। যদিও গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, শুধু ব্যাগ নয়, আশেপাশেও পড়ে ছিল বোমা।

  • Share this:

    #বীরভূম: বর্ধমানে বোমা বিস্ফোরণে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় জোর রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়ে গিয়েছে। বামেদের দাবি, ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ের জন্যই বোমা মজুত করা হয়েছিল। সেই বোমা ফেটে মৃত্যু হয়েছে শিশুটির। বিজেপির অভিযোগ, শাসকদল হিংসার আশ্রয় নিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখতে চাইছে। তার প্রমাণ বর্ধমান। এবার সেই ঘটনার রেশ না মিটতেই এবার বীরভূমের নানুরে উদ্ধার হল ব্যাগভর্তি বোমা। ঘটনাটি ঘটেছে ননগর-কড্ডা অঞ্চলের ডাঙাপাড়া গ্রামে। পুলিশ প্রায় ৪০টি তাজা বোমা উদ্ধার করেছে। পথের ধারে ঝোপের মধ্যে ওই ব্যাগটি রাখা ছিল। যদিও গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, শুধু ব্যাগ নয়, আশেপাশেও পড়ে ছিল বোমা। ভোটের সময় এমনিতেই উত্তপ্ত পরিস্থিতি থাকে অনুব্রত মণ্ডলের জেলা বীরভূমের। ভোটের মুখে সেখানেই বোমা উদ্ধারে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    শুধু বোমা উদ্ধারই নয়, মঙ্গলবার নানুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রচারকে কেন্দ্র করেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মঙ্গলবার সকালে বিজেপি প্রার্থী তারক সাহা প্রচার সারছিলেন। তাঁর মিছিল তৃণমূলের পার্টি অফিসের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময়ে আচমকা তৃণমূল কর্মীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এরপরই সংঘর্ষ বাঁধে তৃণমূল-বিজেপি কর্মীদের। পরে নানুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    অপরদিকে, বিরোধীরা যাই দাবি করুক না কেন, বর্ধমানের ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের অভিযোগ, রাজ্যকে হেয় প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি পরিবেশ নষ্ট করার জন্য চক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছে সব পক্ষই।

    সোমবার বর্ধমানের রসিকপুরে বোমা বিস্ফোরণে এক শিশুর মৃত্যু হয়। গুরুতর জখম হয় আরও এক শিশু। রাস্তায় খেলা করছিল তারা। সেই সময়ই বল ভেবে বোমা হাতে তুলে নেয় তারা। নাড়াচাড়ার সময় সেই বোমা ফেটে যায়। ঘটনাস্থলেই শেখ আফরোজ নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। শেখ ইব্রাহিম নামে আরও এক শিশু এই ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছে। তাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ দিন মৃত শিশু শেখ আফরোজের বাড়িতে যান বর্ধমান দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রের সিপিআইএম প্রার্থী পৃথা তা। মৃত শিশুর মা সোনিয়া খাতুন ও পরিবারের অন্যান্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

    Published by:Suman Biswas
    First published: