মন্দিরের পাম্প কল থেকে পড়ছে ফুটন্ত জল, হাত দিলেই ফোস্কা!

মন্দিরের পাম্প কল থেকে পড়ছে ফুটন্ত জল, হাত দিলেই ফোস্কা!
গ্রামবাসীদের দাবি, হঠাৎই পাম্প থেকে গরম জল বেরোতে শুরু করে। দিন দিন সেই জল আরও গরম হতে থাকে। এখন পাম্প চালালেই বেরোচ্ছে ফুটন্ত জল।

গ্রামবাসীদের দাবি, হঠাৎই পাম্প থেকে গরম জল বেরোতে শুরু করে। দিন দিন সেই জল আরও গরম হতে থাকে। এখন পাম্প চালালেই বেরোচ্ছে ফুটন্ত জল।

  • Share this:

    #বাঁকুড়া: বাঁকুড়ায় জল-রহস্য। শ্মশান কালী মন্দিরের পাম্প থেকে বেরোচ্ছে ফুটন্ত জল! এমন ফুটন্ত জল যে হাতে ফোস্কা পড়ে যাচ্ছে ৷ প্রথমে স্থানীয়রা বিষয়টিতে তেমন গুরুত্ব না দিলেও, দিন যত যায় সাবমার্সিবল পাম্পের মাধ্যমে উঠে আসা জলের উষ্ণতা ততই বাড়তে থাকায় এলাকার মানুষ অবাক হতে শুরু করেন। এ নিয়ে শোরগোল পড়ে যায় বাঁকুড়ার পাত্রসায়রের কাকাটিয়া গ্রামে। আতঙ্কে কাঁটা এলাকাবাসী।

    কাকাটিয়া গ্রামে শ্মশানের পাশেই রয়েছে কালী মন্দির। বছর দু’য়েক আগে শ্মশান যাত্রীদের সুবিধা ও মন্দিরে পুজোপাঠের জন্য একটি মিনি সাবমার্সিবল পাম্প বসানো হয়। সেই পাম্পের জলই এতদিন ব্যবহার হত। ঘটনার সূত্রপাত ছ’মাস আগে। গ্রামবাসীদের দাবি, হঠাৎই পাম্প থেকে গরম জল বেরোতে শুরু করে। দিন দিন সেই জল আরও গরম হতে থাকে। এখন পাম্প চালালেই বেরোচ্ছে ফুটন্ত জল।

    পাত্রসায়র ব্লকটি গাঙ্গেয় সমভূমির অংশ। বাঁকুড়ার অন্যতম কৃষি প্রধান অঞ্চল। সেচের প্রয়োজনে এলাকায় অসংখ্য সাবমার্সিবল পাম্প ও ডিপ টিউবওয়েল রয়েছে। কিন্ত কোথাও কোনও সমস্যা নেই। শুধু শ্মশান কালী মন্দিরের পাম্প থেকেই বেরোচ্ছে ফুটন্ত জল! হতবাক এলাকাবাসীরা। গ্রামবাসীদের দাবি প্রায় 120 ফুট খনন করতেই জলের ভাল স্তর পাওয়ায় আর খনন করার দরকার পড়েনি। এতদিন ধরেই সেই জলই ব্যবহার করা হচ্ছিল ৷


    বিশেষজ্ঞদের মতে, এর নেপথ্যে বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে। মাটির তলায় জলের কিছু স্তর আছে। হয়তো উষ্ণ স্তর থেকে গরম জল পাম্প দিয়ে বেরোচ্ছে। এছাড়া আরেকটি সম্ভাবনার কথাও বলছেন বিজ্ঞানীরা ৷ ভূগর্ভস্থ মিথেন গ্যাস থেকেও জল গরম হয়ে থাকতে পারে। অথবা পাম্পে কোনও যান্ত্রিক ত্রুটিও থাকতে পারে। সবমিলিয়ে বাঁকুড়ায় ফুটন্ত জলে রহস্য ফুটছে।

    Published by:Elina Datta
    First published:

    লেটেস্ট খবর