১৮ দিনের সদ্যোজাত-সহ বাবা-মা’র মৃতদেহ উদ্ধার সুতিতে, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য

১৮ দিনের সদ্যোজাত-সহ বাবা-মা’র মৃতদেহ উদ্ধার সুতিতে, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য

মৃতদেহ উদ্ধার করে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মৃতদেহ উদ্ধার করে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

  • Share this:

Pranab Kumar Banerjee

#সুতি: বন্ধ ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানের মৃতদেহ উদ্ধার হয় ।  সোমবার সন্ধ্যা নাগাদ ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হল মুর্শিদাবাদ জেলার সুতি থানার অন্তর্গত নুরপুর ঘোষপাড়া গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম শ্রীমন্ত সিংহ(২৮), ববিতা দাস(২৩) ও শ্রীমতি সিংহ(১ মাস)। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

মৃত ওই গৃহবধূর পরিবারের দাবি,  জামাই ও মেয়েকে অত্যাচার করত শ্বশুর বাড়ির লোকজন। রবিবার রাতে শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা খুন করেছে তিনজনকে।  সোমবার দুপুরে বিষয়টি জানার পরেই পুলিশকে খবর দেওয়া হয় ।  সোমবার সন্ধ্যা নাগাদ বন্ধ ঘর থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনায় তীব্র চাপানউতর সৃষ্টি হয়েছে সুতিতে । মঙ্গলবার সকালে মৃতদেহ উদ্ধার করে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বছর দুয়েক আগে শ্রীমন্তর সঙ্গে ববিতার বিয়ে হয়। শ্রীমন্ত রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। একই বাড়ির মধ্যে আলাদা থাকতেন স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে। মাত্র ২৮ দিন আগে তাঁদের একটি কন্যা সন্তান হয়। অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির লোকেরা ববিতার  উপর অত্যাচার করত। স্বামী শ্রীমন্ত মাঝেমধ্যে মা বাবার কথা শুনে বউকে মারধর করত বলেও অভিযোগ। কিছুদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত। রবিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া করে দরজা লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তাঁরা।  সোমবার সকালে সুতি থানার পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। ভোট থাকায় পুলিশ আসে  দেরি করে। ববিতার পরিবারের লোককে দেরি করে খবর দেয় বলে অভিযোগ।

ববিতার বাবা প্রভাত দাস বলেন, বিয়ের পর থেকেই মেয়ের ওপর শ্বশুর-শাশুড়ির অত্যাচার করত। আমাদের ধারণা তারাই খুন করেছে এই তিনজনকে। পুলিশ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করুক। যদিও সিমন্তর বাবা হিরেন সিংহ বলেন, আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে। সকালে দরজা বন্ধ থাকায় আমরা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকি। এর পরেই দেখি তিনজন মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। জঙ্গিপুরের মহকুমা পুলিশ অফিসার বিপ্লব তরফদার বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। একটা অভিযোগ পেয়েছি।

Published by:Simli Raha
First published: