একে রাজীব, দুইয়ে শতাব্দী, তিনে অপরূপা...তালিকা ধরে বড় দাবি বিজেপি সাংসদের

একে রাজীব, দুইয়ে শতাব্দী, তিনে অপরূপা...তালিকা ধরে বড় দাবি বিজেপি সাংসদের
তৃণমূল নেতা, সাংসদদের নিয়ে বড় দাবি সৌমিত্রের৷

  • Share this:

    #বাঁকুড়া: এক নম্বরে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, দুইয়ে শতাব্দী, তিনে অপরূপা পোদ্দার৷ এ ভাবেই নাম ধরে ধরে তৃণমূল থেকে কোন কোন মন্ত্রী- সাংসদরা বিজেপিতে আসবেন, তার তালিকা বললেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ৷ যদিও সৌমিত্রের এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল৷ খোদ শতাব্দী রায় বা অপরূপা পোদ্দাররাও সৌমিত্রের দাবিকে আমল দিতে চাননি৷

    এ দিন বাঁকুড়ায় সৌমিত্র বলেন, 'এই ছিন্নমস্তার মন্দিরে দাঁড়িয়েই বলেছিলাম শুভেন্দুদা দলে আসবেন৷ তখন তৃণমূলের সবাই হেসেছিলেন৷ আজ আবারও বলছি, শতাব্দী রায়ও বিজেপি-তে আসবেন৷ আমাদের তালিকা তৈরি৷ এক নম্বরে আছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, দুইয়ে শতাব্দী রায়, তিনে অপরূপা পোদ্দার, চারে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সবার সঙ্গে কথা হয়ে গিয়েছে৷ সাত থেকে আটজন সাংসদ আমাদের দলে আসবেন৷ শুধু সময়ের অপেক্ষা৷'

    শুক্রবার রাতেই দলের সঙ্গে নিজের মনোমালিন্য মিটে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন শতাব্দী রায়৷ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনার পরই বরফ গলে৷ যদিও সৌমিত্র খাঁ দাবি করেন, সাময়িক ভাবে শতাব্দীকে আটকেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷


    শতাব্দী রায় অবশ্য সৌমিত্রের এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন৷ তিনি বলেন, 'সৌমিত্র আমার প্রাক্তন সহকর্মী, সংসদে গিয়েও দেখা হয়৷ কিন্তু কোনওদিন তো তাঁর সঙ্গে আমার বন্ধুর মতো এসব আলোচনা করার সম্পর্ক নই৷ আমি এসব কথা কাউকে সৌমিত্রকে বলিওনি৷ বিজেপ-র সঙ্গে নিজে থেকে যোগাযোগ করা আর বিজেপি-র আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা তো এক নয়৷ কারা যোগাযোগ করেছে তাঁদের নাম বলে আমি সেই নেতাদের অসম্মান করতে চাই না৷' আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারও বলেন, 'সৌমিত্র ভিত্তিহীন কথা বলছে৷ ও দিবাস্বপ্ন দেখলে আমি কী করব? আমি তৃণমূলের সৈনিক, আর কিছু বলব না৷' হাওড়ার সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ও দাবি করেছেন, তাঁর সঙ্গে বিজেপি-র তরফে কেউ যোগাযোগ করেনি৷

    এ প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, 'সৌমিত্র খাঁ মিথ্যেবাদী৷ ভুয়ো প্রচারে বিশেষজ্ঞ, নির্লজ্জ৷ প্রথমে কংগ্রেসের হয়ে বিধায়ক হল, তার পর তৃণমূলে এসে সাংসদ হল৷ এখন হয়েছে বিজেপি-র বড় প্রচারক৷ নিজের দর বাড়ানোর জন্য এখন এসব করছে৷'

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: