লাভপুরে ৩ ভাইকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত মুকুল রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ

লাভপুরে ৩ ভাইকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত মুকুল রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ
বিজেপি নেতা মুকুল রায়

২০১৬ সালে এই মামলায় পুলিশ বোলপুর আদালতে ৪২ জনের নামে চার্জশিট জমা দেয়।

  • Share this:

Supratim Das

বীরভূমের লাভপুরের নবগ্রামে তিন ভাই খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত বিজেপি নেতা মুকুল রায়কে আজ অর্থাত্‍ বুধবার বীরভূমের দুবরাজপুর থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেন তদন্তকারী অফিসাররা। প্রায় দু ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় মুকুল রায়কে।

বালিরঘাটের দখলদারির দ্বন্দ্ব মেটাতে ২০১০ সালের ৪ জুন লাভপুরের নবগ্রামে নিজের বাড়ির উঠোনে সালিশি সভা ডেকেছিলেন মনিরুল ইসলাম। তখন তিনি ফরওয়ার্ড ব্লকের নেতা ছিলেন। সেই সালিশি সভায় বচসার জেরে পিটিয়ে মারার অভিযোগ ওঠে কটুন শেখ, ধানু শেখ ও তরুক শেখকে। আহত হন আরও দুই ভাই সানোয়ার সেখ ও আনোয়ার সেখ। তাঁরা মনিরুল ইসলাম সহ ৫২ জনের নামে লাভপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। ঘটনার পরে পরেই তৃণমূলে যোগ দেন মনিরুল।

পরে লাভপুর বিধানসভা থেকে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হন। ২০১৪ সালে বীরভূমের সাঁইথিয়াতে একটি জনসভা থেকে 'তিনজনকে মেরে দিয়েছি' বলে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন মনিরুল। ২০১৬ সালে এই মামলায় পুলিশ বোলপুর আদালতে ৪২ জনের নামে চার্জশিট জমা দেয়। সেই চার্জশিটে নাম বাদ যায় এই মনিরুলের। পরে মনিরুল তৃনমুল ছেড়ে মুকুল রায় ও কৈলাস বিজয়বর্গীর হাত ধরে যোগদান করে বিজেপিতে। এরপরই নিহতের পরিবার তদন্ত চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর ঘটনার পুনর্তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশ মতো ফের তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ৪ ডিসেম্বর বোলপুর আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ এই ঘটনার প্রথম তদন্তকারী অফিসার সর্বজিত বোস। জানা গিয়েছে, সেই চার্জশিটে নাম রয়েছে মনিরুল ইসলাম ও মুকুল রায়ের। তাঁদের দু জনের বিরুদ্ধেই রয়েছে ৩০২ ধারা।

বিজেপি নেতা মুকুল রায় হাইকোর্টে আবেদন করার পর হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের প্রটেকশন(NOT TO ARREST) দেওয়া হয়, একই সঙ্গে উচ্চ আদালত নির্দেশ দেয়, লাভপুর, বোলপুর ও শান্তিনিকেতন থানা এলাকায় যেতে পারবেন না মুকুল রায়৷ সেই কারণেই বীরভূম জেলা পুলিশ তাঁকে দুবরাজপুর থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

First published: 05:56:46 PM Jan 01, 2020
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर