Mithun Chakraborty: পথে নেমেছেন 'ফাটাকেষ্ট', প্রার্থী না হয়েও ভোটের 'খেলা' ঘোরাবেন মিঠুন 'দা'?

মিঠুনের মুখ-অস্ত্র

ইতিমধ্যেই মিঠুন জানিয়ে দিয়েছেন, 'প্রার্থী হলেই আমি স্বার্থপর হয়ে যাব।' অর্থাৎ, মিঠুনের প্রার্থী হওয়ার জল্পনায় একপ্রকার জল পড়েই গিয়েছে। কিন্তু বিজেপি চাইছে গ্রাম বাংলার ভোটে মিঠুনের মুখকে কাজে লাগাতে।

  • Share this:

    #কেশপুর: শুরু হয়ে গিয়েছে বাংলা দখলের লড়াই। প্রথম দফার ভোট হয়েছে শনিবার। আর তারপর থেকে বাকি এলাকাগুলিতে প্রচারের ঝাঁঝ দ্বিগুণ করতে চাইছে রাজনৈতিক দলগুলি। আর তার মধ্যে ১ এপ্রিল নন্দীগ্রামে ভোট। যেখানে যুযুধান দুই প্রার্থীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু তারই মাঝে আলাদা করে প্রচারে নজর কাড়ছেন সদ্য বিজেপিতে নাম লেখানো অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। ইতিমধ্যেই মিঠুন জানিয়ে দিয়েছেন, 'প্রার্থী হলেই আমি স্বার্থপর হয়ে যাব।' অর্থাৎ, মিঠুনের প্রার্থী হওয়ার জল্পনায় একপ্রকার জল পড়েই গিয়েছে। কিন্তু বিজেপি চাইছে গ্রাম বাংলার ভোটে মিঠুনের মুখকে কাজে লাগাতে। সেই কারণেই গত ২৫ মার্চ থেকে পথে নেমেছেন মিঠুন। আর রবিবার, দোলের দিনও ফের বিজেপির হয়ে প্রচারে তিনি।

    আজ বিজেপি প্রার্থীদের হয়ে বাঁকুড়া ও পশ্চিমে মেদিনীপুরে রোড শো করছেন মিঠুন চক্রবর্তী। ইতিমধ্যেই বাঁকুড়ার ইন্দাসে সেরেছেন রোড শো। সেখানে তাঁকে দেখতে হাজির হয়েছিলেন প্রচুর মানুষ। এরপরই পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর, ডেবরা ও চন্দ্রকোণাতেও রোড শো করবেন তিনি। কিন্তু মিঠুনের রোড শোয়ের আগেই কেশপুরে বিজেপি কর্মীদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি, ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি পেট্রোল বোমাও। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী আহতও হয়েছেন বলে খবর। কেশপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এলাকায়।

    গত ২৫ মার্চ, প্রথম দিন প্রচারে বেরিয়েই মানুষের আগ্রহ দেখে মিঠুন বলেছিলেন, 'তোমাদের এই ভালোবাসার কথা আমি সবসময়ই বলি। বাংলার মানুষের সঙ্গে আমার হিরো আর ভক্তের সম্পর্ক নয়। আমাদের মধ্যে আত্মার সম্পর্ক, হৃদয়ের সম্পর্ক। বাংলার সব গরিব মানুষের জন্য লড়তে এসেছি। বাংলার সব মানুষকে তাঁদের অধিকার দিয়েই ছাড়ব। এটা আমার প্রতিশ্রুতি। আর সেই কারণে সবার আশীর্বাদ কামনা করছি। '

    তৃণমূলকে সরিয়ে রাজ্যের ক্ষমতা দখল করতে ক্ষমতায় থাকা সব রাজ্যের সংগাঠনিক নেতাদের বাংলায় এনেছে বিজেপি। তাঁরা এসে এরাজ্যের নেতাদের সংগঠনের কাজে দিনরাত সাহায্য করে চলেছেন। আর কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, অমিত মালব্যের মতো নেতাদের তো রাজ্যে সংগঠনের দায়িত্বই দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর গতবছর থেকেই বারে বারে রাজ্যে এসেছেন এবং আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং অমিত শাহরা। ভোটের আগে থেকে একের পর এক সভা করে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের সকলকেই বহিরাগত বলে আক্রমণ শানাচ্ছেন। সেই প্রসঙ্গেও মিঠুন বলেছেন, 'যেভাবে বহিরাগতের কথা বলা হচ্ছে, তাতে মাদার টেরিজা থেকে সিস্টার নিবেদিতা, সবাই বহিরাগত। কিন্তু তাঁরা তো বাংলাকে আপন করে নিয়েছিলেন। এটা নীতির লড়াই, নীতি নিয়ে লড়াই।'
    Published by:Suman Biswas
    First published: