গেরুয়া শিবিরে আস্থা হারিয়েছে, কালনার দু'বারের বিজেপি প্রার্থীর তৃণমূলে যোগ, উচ্ছ্বসিত শাসকদল

গেরুয়া শিবিরে আস্থা হারিয়েছে, কালনার দু'বারের বিজেপি প্রার্থীর তৃণমূলে যোগ, উচ্ছ্বসিত শাসকদল
তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে যখন একে একে মন্ত্রী বিধায়করা বিজেপিতে যোগদান করছেন ঠিক সেই সময় পূর্ব বর্ধমানের কালনায় তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বিজেপির দুবারের বিধানসভার প্রার্থী নিউটন মজুমদার।

তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে যখন একে একে মন্ত্রী বিধায়করা বিজেপিতে যোগদান করছেন ঠিক সেই সময় পূর্ব বর্ধমানের কালনায় তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বিজেপির দুবারের বিধানসভার প্রার্থী নিউটন মজুমদার।

  • Share this:

#কালনা: তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে যখন একে একে মন্ত্রী বিধায়করা বিজেপিতে যোগদান করছেন ঠিক সেই সময় পূর্ব বর্ধমানের কালনায় তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বিজেপির দুবারের বিধানসভার প্রার্থী নিউটন মজুমদার। বিধানসভা নির্বাচনের মুখে এই যোগদানে উল্লসিত ভাগীরথী তীরের কালনার তৃণমূল কংগ্রেস শিবির। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন কালনার বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুণ্ডু। সেই কালনাতেই বিজেপির ঘরে ভাঙন ধরাতে পেরে স্বাভাবিকভাবেই খুশি তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।

কালনা পুর প্রধান তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা দেবপ্রসাদ বাগ বলেন, নিউটনকে দু-দুবার কালনায় বিধানসভা আসনের প্রার্থী করেছিল বিজেপি। তাই এই বিধানসভা কেন্দ্রে নিউটন বিজেপির মুখ ছিল তা বলাই যায়। সেই ব্যক্তি তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দিলেন। তাঁকে আমরা দলে স্বাগত জানাচ্ছি। তবে এটা হওয়ারই ছিল। কারণ তৃণমূল কংগ্রেসে যাদের বিরুদ্ধে মানুষের অভিযোগ ছিল, যারা মানুষের কথা না ভেবে নিজেদের ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করে গিয়েছে তারাই এখন বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে। স্বাভাবিক কারনেই পুরনো বিজেপির কর্মীরা এখন দলে দলে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেবেন সেটাই স্বাভাবিক। তৃণমূল কংগ্রেস থাকবে না বলে এতদিন বড়াই করছিলেন বিজেপি নেতারা। বিধানসভা ভোটের আগে সেই বিজেপি দলটা থাকবে কিনা সে প্রশ্ন এখন বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে।

গত লোকসভা ভোটের পরিসংখ্যান বলছে, কালনা বিধানসভা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে বিজেপি। বিধানসভা ভোটের মুখে নিউটনের তৃণমূলে যোগদান বিজেপির কাছে একটা বড় ধাক্কা বলেই দাবি করছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতারা।


যদিও প্রকাশ্যে বিষয়টিকে পাত্তা দিতে নারাজ বিজেপি নেতৃত্ব। তাদের বক্তব্য, এ রাজ্যের বাসিন্দারা যে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরিত্যাগ করেছে তার ইঙ্গিত লোকসভা নির্বাচনে মিলেছে। তাই স্থানীয় কোন নেতা বিজেপির মত বৃহৎ দল থেকে বেরিয়ে গেল তা নিয়ে এলাকার বাসিন্দারা ভাবিত নন। স্থানীয় বিজেপি নেতা সমীর মন্ডল বলেন, দুশোর বেশি আসনে জিতে বিজেপি এরাজ্যে ক্ষমতায় আসতে চলেছে। কালনায় আমরা চল্লিশ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতব।

Saradindu Ghosh

Published by:Shubhagata Dey
First published:

লেটেস্ট খবর