অবরোধমুক্ত ভাঙড়ে রাত নামতেই রাস্তা কাটলেন বাসিন্দারা

তৃণমূলের শান্তি মিছিলে সন্ধেয় অবরোধ উঠলেও রাত নামতেই ফের অশান্ত ভাঙড় ৷ রাতে পুলিশি অভিযানের আশঙ্কায় কাটা হল রাস্তা ৷

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jan 25, 2017 12:16 PM IST
অবরোধমুক্ত ভাঙড়ে রাত নামতেই রাস্তা কাটলেন বাসিন্দারা
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jan 25, 2017 12:16 PM IST

#ভাঙড়: তৃণমূলের শান্তি মিছিলে সন্ধেয় অবরোধ উঠলেও রাত নামতেই ফের অশান্ত ভাঙড় ৷ রাতে পুলিশি অভিযানের আশঙ্কায় কাটা হল রাস্তা ৷

সন্ধে পেরিয়ে রাত নামতেই অবরোধ মুক্ত ভাঙড়ে ফের ছড়ায় আশঙ্কা ও উত্তেজনা ৷ রাত বাড়লেই যদি শুরু হয় পুলিশের ধরপাকড়, এই আশঙ্কায় পাওয়ার গ্রিড লাগোয়া এলাকায় মাছিভাঙা গ্রামে রাস্তা কাটলেন গ্রামবাসীরা ৷ বাকি জনপদের থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় অঞ্চলটিকে ৷ রাতে পুলিশি অভিযানের আশঙ্কায় রাস্তা কাটলেন বাসিন্দারা ৷

তবে রাত পোহাতেই দেখা গেল অন্য ছবি ৷ দিনের আলো ফুটতেই স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে ভাঙড় ৷ চলছে যানবাহন, খুলছে দোকান-পাঠ ৷

আটদিন পর মঙ্গলবার অবরোধ ওঠে ভাঙড়ে। গাছের গুঁড়ি সরিয়ে অবরোধ তুলে দেন গ্রামবাসীরাই। শ্যামনগর মোড় পর্যন্ত রুটমার্চ করে ঢোকে পুলিশ। ক্রেন দিয়ে তোলা হয় ভাঙচুড় হওয়া গাড়িগুলি। শান্তি ফেরাতে এদিন বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্তের নেতৃত্বে ভাঙড়ে বেরোয় তৃণমূলের শান্তি মিছিল ।

ইঙ্গিতটা মিলেছিল সোমবার রাতেই। শ্যামনগরে আন্দোলনকারীরা রাস্তা অবরোধ করতে গেলে, প্রতিবাদ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর প্রতিরোধের মুখে পিছিয়ে আসতে হয় আন্দোলনকারীদের। এরপরই মঙ্গলবার সকাল থেকে বদলাতে শুরু করে ছবিটা। জঙ্গি-আন্দোলনের আট দিন পর পুরোপুরি অবরোধমুক্ত হয় ভাঙড়। খামারআইট, টোনা, মাছিভাঙা সহ প্রায় সর্বত্রই ইট-গাছের গুঁড়ি সরিয়ে অবরোধ তোলেন গ্রামবাসী। খুলে যায় হাড়োয়া-শ্যামনগর রাস্তাও।

Loading...

যদিও এদিন ভাঙড়ের মূল রাস্তায় ঢোকে পুলিশ। কাশীপুর থানা থেকে পোলেরহাট পর্যন্ত গাড়িতে যায় পুলিশের একটি দল। সেখান থেকে শ্যামনগর পর্যন্ত রুটমার্চ করে তারা। সতেরো জানুয়ারি আন্দোলনের দিন পুলিশের একাধিক গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছিল। সেই গাড়িগুলিই ক্রেন দিয়ে তোলা হয়। এদিন বিকালে ভাঙড়ের ঢিবঢিবা বাজার থেকে নতুনহাট পর্যন্ত শান্তিমিছিল করেন বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্ত। এলাকাবাসীর সঙ্গে অবরোধ তুলতে হাত লাগান তিনিও।

আন্দোলন আপাতত স্থগিত হলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে সিপিআইএমএল রেড স্টার। আটদিনের অবরোধে ক্ষোভ বাড়ছিল এলাকাবাসীর একটা বড় অংশের মধ্যে। বিক্ষোভ-অবরোধে বন্ধ ছিল স্কুল-হাসপাতাল-দোকানপাট। যার জেরে ভাঙড়বাসীর স্বাভাবিক জনজীবনই স্তব্ধ হতে বসেছিল।

সবমিলিয়ে তাই ভাঙড় আন্দোলন মাঝপথে ধাক্কা খেল বলে মত রাজনৈতিক মহলের।

First published: 12:16:41 PM Jan 25, 2017
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर