দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

নিরানব্বইয়েও নট আউট! করোনা জয় করেই বঙ্গবালা এগোলেন শতবর্ষ পালনের দিকে!

নিরানব্বইয়েও নট আউট! করোনা জয় করেই বঙ্গবালা এগোলেন শতবর্ষ পালনের দিকে!
Photo: Collected

সবার আশঙ্কা ও উদ্বেগকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে বিজয়িনী হয়ে ফিরে এসেছেন তিনি। জয় করেছেন করোনার মতো সর্বগ্রাসী ভাইরাসকে।

  • Share this:

Photo: Collected

#হাওড়া: ডাক্তার থেকে শুরু করে পরিবারের লোকজন- একই সঙ্গে স্তম্ভিত ও খুশি। শতবর্ষ পালনের কিছু দিন আগেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন বছর নিরানব্বইয়ের ভবতারিণী সামন্ত (Bhabatarini Samanta)। কিন্তু সবার আশঙ্কা ও উদ্বেগকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে বিজয়িনী হয়ে ফিরে এসেছেন তিনি। জয় করেছেন করোনার (Coronavirus) মতো সর্বগ্রাসী ভাইরাসকে।

খবর অনুযায়ী, জ্বর আর শ্বাসকষ্ট নিয়ে নিরানব্বই বছর এগারো মাসের ভবতারিণী ফুলেশ্বর অঞ্চলের একটি কোভিড ১৯ (Covid 19) হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর সমস্ত উপসর্গগুলোই কোভিডের দিকে নির্দেশ করছিল। সব চেয়ে বেশি চিন্তার কারণ ছিল এই বয়স্ক নাগরিকের বয়স, যা প্রায় একশো ছুঁই-ছুঁই। জ্বর আর শ্বাসকষ্ট বাদ দিয়েও ভবতারিণী দেবীর নানা রকম শারীরিক সমস্যা ছিল। কাজেই তাঁর জন্য আলাদা করে একটি মেডিকেল টিম প্রস্তুত করা হয়।

তবে সঠিক চিকিৎসা আর পরিচর্যার ফলে ধীরে ধীরে সুস্থতার দিকে এগোতে থাকেন তিনি। ডাক্তারদের কাছেও একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ ছিল এই বয়সের একজন মহিলাকে সুস্থ করে তোলা। বলা বাহুল্য, তাঁরা এই কাজে সফল হয়েছেন। জানা গিয়েছে যে কিছু দিন চিকিৎসা চলার পর ভবতারিণী দেবীকে কোভিড মুক্ত বলে ঘোষণা করা হয়।

তবে হাসপাতাল থেকে বাড়ি যাওয়ার আগে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। যেহেতু কিছু দিনের মধ্যেই তিনি একশো বছরে পা রাখবেন, তাই ডাক্তার ও নার্স প্রত্যেকেই তাঁর জন্য গান করেন। তাঁকে ফুল ও মিষ্টি দিয়ে ভালোবাসা আর সম্মানও জানানো হয়।

ফুলেশ্বরের এই হাসপাতালে এখনও পর্যন্ত ৪০০০ কোভিড রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাঁর মধ্যে ৩৭০০ জনই সুস্থ হয়ে গিয়েছেন। এই তথ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই জানিয়েছেন।

ভবতারিণী দেবীর মতো বার্ধক্য ও করোনাকে একসঙ্গে জয় করার কাহিনি শোনা গিয়েছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রেও। অ্যালাবামার (Alabama) মেজর উটেন দেখেছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। তাঁর কাজ ছিল ফ্রান্সে বসে বম্বিংয়ের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ট্রেনগুলোকে সারিয়ে তোলা। ১০৪ বছরের জন্মদিন পালনের কিছু আগেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়েন মেজর। তাঁর নাতনি জানিয়েছেন একজন ১০৪ বছরের বৃদ্ধের কাছে এটা বড় কোনও শারীরিক সমস্যার চেয়ে কম ছিল না। কিন্তু তিনি এই বাধা জয় করে ফিরে আসেন। হাসপাতাল থেকে মুক্তির দিন মেজরের জন্য হাসপাতালের কর্মীরা হ্যাপি বার্থডে গানের সুরেও মুখর হয়ে ওঠেন।

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: December 7, 2020, 12:53 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर