ভোট ভয় নেই! পাড়ায় পাড়ায় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে বোঝালেন কমিশনের আধিকারিকরা

ভোট ভয় নেই! পাড়ায় পাড়ায় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে বোঝালেন কমিশনের আধিকারিকরা

নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে করার সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে করার সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ নেওয়া হয়েছে।

  • Share this:

#বীরভূম: ভোট ভীতি দূর করতে এবার মাঠে নামল নির্বাচন কমিশন৷  বীরভূমের সিউড়ির পাড়ায় পাড়ায় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে সমস্ত ধররনের তথ্য নিলেন সেক্টর অফিসাররা। গত শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গ সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর এই নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই তৎপরতা শুরু হয়েছে নির্বাচন কমিশন আধিকারিকদের। মূলত ভোটারদের ভীতি দূর করে তাদের ভোট মুখী করে তোলাই কমিশন আধিকারিকদের সব থেকে বড় লক্ষ্য। আর এই লক্ষ্য পূরণের জন্য সোমবার কমিশনের বীরভূমের আধিকারিকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সাথে কথা বলার কাজ শুরু করলেন।

ভোটারদের সাথে কথা বলার এমন মুহূর্ত দেখা গেল সিউড়ির ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। যেখানে কমিশনের আধিকারিকরা ছাড়াও ছিলেন সিউড়ি থানার পুলিশ কর্মীরা। মূলত এদিন ভোটারদের কাছে জিজ্ঞাসা করা হয় তাদের বাড়ি থেকে ভোট কেন্দ্র কত দূরে? এছাড়াও জিজ্ঞাসা করা হয় ভোটের জন্য কোন রাজনৈতিক দল অথবা কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি তাদের কোনও রকম ভয় দেখাচ্ছেন কিনা? এর পাশাপাশি ভোটারদের নানান সুবিধা অসুবিধা সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্ন করা হয়। আর ভোটের আগেই এই ভাবে আধিকারিকদের ঘরের দরজায় পেয়ে খুশি এলাকার বাসিন্দারা। প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে করার সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ নেওয়া হয়েছে। আর সেই চ্যালেঞ্জের লক্ষ্য মাত্রায় পৌঁছাতে নজিরবিহীনভাবে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করার আগেই জেলায় নামানো হয়েছে এক কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী।

এর পাশাপাশি খয়রাশোল এবং নলহাটি এলাকায় যে দুই কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে তাদেরও কাজে লাগানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বীরভূমের একাধিক এলাকায় শুরু হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী রুটমার্চ এবং এলাকার ডোমিনেশন। জানা গিয়েছে এর পরের ধাপে সিউড়ি শহরের পাড়ায় পাড়ায় হবে আধা সামরিক বাহিনীর রুটমার্চ৷ তাতেও ভোটারদের আরও মনোবল বাড়বে বলে ধারনা নির্বাচন কমিশনেট বীরভূমের আধিকারিকদের।

Published by:Pooja Basu
First published: