• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • প্রবল মানসিক চাপ সহ্য করতে পারেনি, ৪৮ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর বাড়ি ফিরল মেডিক্যাল পরীক্ষার্থী

প্রবল মানসিক চাপ সহ্য করতে পারেনি, ৪৮ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর বাড়ি ফিরল মেডিক্যাল পরীক্ষার্থী

বাড়ি থেকে আলমবাজারে শ্যাম মন্দিরে পুজো দিয়ে সেখান থেকে স্কুটি নিয়ে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা চলে যায় সে।

বাড়ি থেকে আলমবাজারে শ্যাম মন্দিরে পুজো দিয়ে সেখান থেকে স্কুটি নিয়ে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা চলে যায় সে।

বাড়ি থেকে আলমবাজারে শ্যাম মন্দিরে পুজো দিয়ে সেখান থেকে স্কুটি নিয়ে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা চলে যায় সে।

  • Share this:

    #বেলঘড়িয়া: বাড়ি ফিরল নিখোঁজ হয়ে যাওয়া চিকিৎসক পড়ুয়া রক্ষিত মিত্তল। বাড়ি থেকে আলমবাজারে শ্যাম মন্দিরে পুজো দিয়ে সেখান থেকে স্কুটি নিয়ে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা চলে যায় সে। এরপর স্কুটি বিকল হয়ে যাওয়ায় গাড়ি রেখে বাস ধরে শিলিগুড়ি চলে যায়। কিন্তুই কেন এভাবে বাড়ি ছেড়ে চলে গেল সে? রক্ষিত জানিয়েছেন, আগে দু'বার মেডিক্যাল পরীক্ষায় বসেছিল রক্ষিত। কিন্তু সফল হতে পারেনি। এবারও পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু পরীক্ষার দিন এগিয়ে আসায়  মানসিক অবসাদ গ্রাস করে তাঁকে। আর তারপরেই বাড়ি থেকে চলে যায়।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ি থেকে ফেরার সময় বাসে বসেই বাড়িতে ফোন করে রক্ষিত। সে জানায় বাসে করে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত আসবে। তারপরেই বাড়ির লোক তাঁকে আনতে এয়ারপোর্টের দিকে চলে যায়।

    প্রসঙ্গত, বরাহনগর আলমবাজারে শ্যামমন্দিরে পুজো দিতে যাচ্ছেন বলে মঙ্গলবার বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন রক্ষিত মিত্তল। বেলা ১১টা বেজে গেলেও বাড়ি ফেরেননি রক্ষিত। তারপর ২৪ ঘন্টা কেটে গেলেও বাড়িতে ফেরেননি ডাক্তারির মেধাবী এই পড়ুয়া। তবে বুধবার সকালে খোঁজ মিলেছে রক্ষিতের স্কুটির। যে স্কুটিতে চেপে তিনি পুজো দিতে গিয়েছিলেন। বাড়ি থেকে ১৭০ কিলোমিটার দূরে কী করে পৌঁছল তাঁর স্কুটি? প্রশ্ন পরিবারের। স্কুটি মিললেও কোনও খোঁজ মেলেনি রক্ষিতের।

    পরিবার জানায়, রোজ সকালেই আলমবাজারের শ্যামমন্দিরে পুজো দিতে যান রক্ষিত। সেই মতোই মঙ্গলবার সকালেও নিজের স্কুটি চালিয়েই মন্দিরে যান। পুজো দেওয়া হয়ে গেলে বাবা অশোক মিত্তলের দোকান যাওয়ার জন্য বাইক ট্যাক্সিও বুক করে দেন। যতই দেরি হোক ঘড়ির কাঁটা ১১টা পেরোয় না। কিন্তু মঙ্গলবার সময় পেরিয়ে যেতেও বাড়ি ফেরেননি। মোবাইল ফোনও সুইচড অফ ছিল। চিন্তা বাড়ে মিত্তল পরিবারের। বেলা দু'টোর পরেও বাড়ি না ফিরলে বেলঘড়িয়া থানায় মিসিং ডায়েরি করেন তাঁরা।

    মেধাবী ডাক্তারি পড়ুয়ার রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। রক্ষিতের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশনের সূত্র ধরে পুলিশ জানতে পারে শেষবার দত্তপুকুর এলাকায় মোবাইলটি অন করা হয়েছিল। মিত্তল পরিবার দত্তপুকুর গিয়েও খোঁজ করে রক্ষিতের। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। এরপর বুধবার সকাল ফোন আসে ১৭০ কিলোমিটার দূরে বেলডাঙা থানা থেকে। জানানো হয়, জাতীয় সড়কের ধারে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে রক্ষিতের স্কুটি ও হেলমেট। কিন্তু রক্ষীতের কোনও খোঁজ দিতে পারেনি পুলিশ। চরম দুশ্চিন্তায় কাটে পরিবারের দু'দিন। এরপর বৃহস্পতিবার নিজেই ফিরে আসে সে।

    Arun Ghosh

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: