corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা ঠেকাতে অভিনব উদ্যোগ, কী করল ক্লাবের সদস্যরা...

করোনা ঠেকাতে অভিনব উদ্যোগ, কী করল ক্লাবের সদস্যরা...

করোনা ভাইরাস ঠেকাতে বর্ধমানের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের নাগরিকরা একত্রিত হয়ে পথে নামার সিদ্ধান্ত নেন।

  • Share this:

#বর্ধমান: বাজারে মাস্কের অভাব। করোনা ভাইরাস ঠেকাতে মাস্ক  পেতে হন্যে হয়ে ঘুরছেন বাসিন্দারা। সেই অভাব দূর করতে সমন্বয় কমিটির গড়ে পথে নামল বর্ধমানের নীলপুরের ক্লাবগুলি। একযোগে তাঁরা বাসিন্দাদের মুখে মাস্ক বেঁধে দিলেন। হুড়োহুড়ি করে মাস্ক নিলেন আতঙ্কিত অনেকেই। এদিনই দু-হাজার বাসিন্দার মধ্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়। শহর জুড়ে এই কর্মসূচি চালান হবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

করোনা ভাইরাস ঠেকাতে বর্ধমানের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের নাগরিকরা একত্রিত হয়ে পথে নামার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁরা এলাকার ক্লাবগুলিকেও পাশে ডাকেন। এলাকার সব ক্লাব তাদের সঙ্গে মিলিত ভাবে কাজ করার জন্য এগিয়ে আসে। এরপর নাগরিক ও ক্লাব সমন্বয় কমিটি গড়ে শুরু হল বাসিন্দাদের সচেতন করার কাজ। এদিন সকাল থেকে বর্ধমান শহরের বড় নীলপুর মোড়ে বাসিন্দাদের মুখে মাস্ক বেঁধে দেন উদ্যোক্তারা। মাস্ক পেতে খুশি সকলেই। দু হাজারেরও বেশি বাসিন্দা মাস্ক সংগ্রহ করতে এগিয়ে আসেন। উদ্যোক্তারা বলছেন, উন্নত মানের এন 95-মাস্ক আমাদের সংগ্রহে নেই। সাধারণ মানের কাপড়ের মাস্কই দিচ্ছি আমরা। তা নিয়মিত ব্যবহার করলে করোনা ভাইরাস-সহ অনেক রোগই ঠেকানো সম্ভব সেকথাই বলছি আমরা। টোটো চালক, সবজি বিক্রেতা সহ অনেক পেশার বাসিন্দাদের রাস্তায় দিন কাটে। এই মাস্ক সংগ্রহ করার উৎসাহ তাদের মধ্যেই বেশি ধরা পড়েছে। সাধারণ বাসিন্দাদেরও অনেকেই মাস্ক মুখে বেঁধে বাড়ি ফিরেছেন। এছাড়াও এখন কি কি সাবধানতা নেওয়া জরুরি তা বোঝানো হচ্ছে বাসিন্দাদের।

পথ চলতি পুরুষ মহিলারা মাস্ক পেয়ে খুশি। তাঁরা বলছেন, বাজারে মাস্ক মিলছে না। এই সংকট জনক মুহূর্তে এলাকার ক্লাবগুলি এগিয়ে আসায় আমরা খুশি। ক্লাবগুলির ভূমিকা প্রশংসনীয়। বাজার করতে বেরিয়ে  বিনা মূল্যে মাস্ক মেলায় খুশি সকলেই। অনেকে নিজেরা তো মুখে মাস্ক বেঁধেইছেন চেয়ে নিয়ে গিয়েছেন বাড়ির অন্যান্যদের জন্যও। আবার লোকমুখে মাস্ক বিতরণের খবর পেয়ে তা সংগ্রহ করতে ভিড় করেছেন অনেকেই। উদ্যোক্তারা বলছেন, একদিন মাস্ক বিলি করেই থেমে যাওয়া নয়, প্রতিদিনই শহরের বিভিন্ন এলাকায় এই মাস্ক বিতরণ করা হবে।

 Saradindu Ghosh

Published by: Shubhagata Dey
First published: March 15, 2020, 4:14 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर