দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বর্ধমানের পুরনো রেল ওভারব্রিজ ভেঙে ফেলবে রেল, যাতায়াত নিয়ে সংশয়ে বাসিন্দারা

বর্ধমানের পুরনো রেল ওভারব্রিজ ভেঙে ফেলবে রেল, যাতায়াত নিয়ে সংশয়ে বাসিন্দারা

বর্ধমান রেল স্টেশন লাগোয়া এই রেল সেতু জীর্ণ হয়ে গিয়েছিল আগেই। সেই সেতু পরিত্যক্ত ঘোষণা করে তা দিয়ে ভারি যান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছিল ।

  • Share this:

#বর্ধমান: কয়েকদিন পর থেকেই বর্ধমানের পুরনো রেল সেতু ভাঙার কাজ শুরু করবে রেল। এ ব্যাপারে রেলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। সেতু ভাঙার ব্যাপারে ইতিমধ্যেই নোটিশ জারি করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। সেই নোটিসের কপি পূর্ব বর্ধমানের জেলা শাসক, জেলা পুলিশ সুপার-সহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। শহরবাসীর জ্ঞাতার্থে সেই নোটিসের কপি পুরনো সেতুর গায়ে টাঙিয়েও দেওয়া হয়েছে।

বর্ধমান রেল স্টেশন লাগোয়া এই রেল সেতু জীর্ণ হয়ে গিয়েছিল আগেই। সেই সেতু পরিত্যক্ত ঘোষণা করে তা দিয়ে ভারি যান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছিল । রাজ্য ও রেলের টাকায় নতুন ঝুলন্ত রেল ওভারব্রিজ তৈরি করা হয়। সেই সেতু থেকে চারটি উড়ালপুল অ্যাপ্রোচ রোড হিসেবে বেরিয়ে এসেছে। তার দুটি যাচ্ছে কালনা ও কাটোয়ার দিকে। বাকি দুটি রাস্তা যাচ্ছে কলকাতা ও দুর্গাপুরের দিকে। কিন্তু প্রায় তিনশো কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি এই সেতু এতোই উঁচু ও দীর্ঘ যে সাইকেল, টোটো বা পায়ে হেঁটে নিয়মিত সেতু দিয়ে যাতায়াত করা সম্ভব নয়। তার ফলে বাসিন্দারা পুরনো সেতুই এতদিন যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করছিলেন।

সেই সেতু রেল ভেঙে দেওবার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় যাতায়াত কিভাবে হবে তা নিয়ে চিন্তিত বাসিন্দারা। তাদের দাবি, যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা করে তবেই সেতু ভাঙার কাজ শুরু করা হোক।

শুধু পুরনো রেল সেতু ভেঙে ফেলাই নয়, সেই সেতুর দু’দিকের অ্যাপ্রোচ রোডে বেআইনি জবরদখল,অস্থায়ী দোকানও উচ্ছেদ করা হবে বলে ঘোষণা করেছে রেল। ফলে পুজোর মুখে কাজ হারানোর আশঙ্কায় রাতের ঘুম উড়েছে অ্যাপ্রোচ রোডের ওপর থাকা ছোট ব্যবসায়ীদের। তাদের বক্তব্য, এমনিতেই করোনা ও লকডাউনের জেরে ব্যবসা মার খেয়েছে। পুজোর মুখে কিছুটা কেনাবেচার আশা ছিল। এখন রেল সেসব ভেঙে দিলে কিভাবে সংসার চলবে বুঝে উঠতে পারছিনা। পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে তবেই উচ্ছেদ করা হোক বলে দাবি তুলছেন সেইসব ছোট ব্যবসায়ীরা।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এমনিতেই পুরনো রেল সেতু জীর্ণ হয়ে গিয়েছে। যে কোনও সময় তা ভেঙে পরে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। তার ওপর ডেডিকেটেড ফ্রেড করিডরের জন্য নতুন রেল লাইন পাতা হবে। সেজন্য প্রশস্ত জায়গা প্রয়োজন। সে কারণেই এই রেল সেতু ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে সেই কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শরদিন্দু ঘোষ

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: September 23, 2020, 6:27 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर