corona virus btn
corona virus btn
Loading

শহরে করোনা সংক্রমণ, অনুমতি থাকলেও বর্ধমানে দোকানপাট খুলতে নারাজ মালিকরা

শহরে করোনা সংক্রমণ, অনুমতি থাকলেও বর্ধমানে দোকানপাট খুলতে নারাজ মালিকরা
  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: ঘরের পাশেই করোনা আক্রান্তের হদিশ, উদ্বিগ্ন বর্ধমান শহরের বাসিন্দারা এদিন রাস্তায় বেরোলেন একটু কম সংখ্যায়। সোমবার বর্ধমানের রাস্তায় ছিল থিকথিকে ভিড়। জন সমাগম দেখে লকডাউন উঠে গিয়েছে কিনা প্রশ্ন তুলছিলেন গৃহবন্দিরা। গতকালের তুলনায় আজ কম লোক বেরিয়েছে ঘর থেকে। তবে বর্ধমান শহরের বি সি রোড, খোসবাগান এলাকায় বাসিন্দাদের ভিড় ছিল লক্ষ্য করার মতো। তবে তাঁদের অনেকেই এসেছিলেন চিকিৎসার প্রয়োজনে। বেশ কয়েকটি খাতা বইয়ের দোকান এদিন খোলা ছিল। বর্ধমান শহরে করোনা আক্রান্তের হদিশের খবর চাউর হয়ে যায় সোমবার সন্ধে থেকেই। উদ্বেগ বাড়ে এলাকায় এলাকায়। আক্রান্ত ওই মহিলা বর্ধমানের সুভাষপল্লী এলাকার বাসিন্দা। ওই এলাকা সোমবার রাত থেকেই কার্যত সিল করে দেয় পুলিশ। এলাকার দোকানপাট আজ সকাল থেকেই বন্ধ ছিল। অন্যদিকে, ওই মহিলাকে কলকাতা থেকে নিয়ে এসেছিলেন যে গাড়ি চালক তিনি শহরের মুচিপাড়া এলাকার বাসিন্দা। উদ্বেগ বাড়ে ওই এলাকাতেও। এলাকার অনেকেই এ দিন আর ঘরের বাইরে পা রাখেননি।

সব মিলিয়ে এই দিন শহরের প্রাণ কেন্দ্র কার্জন গেট এলাকায় বাসিন্দাদের ভিড় ছিল তুলনামূলকভাবে কম। কিছু এলাকায় চায়ের দোকান খুলেছে। বিচ্ছিন্নভাবে খুলেছে কিছু কিছু দোকান। কিন্তু মোটের ওপর দোকানপাট খোলা প্রবণতা এদিন কমই লক্ষ্য করা গিয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, শহরের বেশিরভাগ বাসিন্দা এখনও গৃহবন্দি। ট্রেন বাস চলছে না। ফলে শহরের বাইরে থেকে বাসিন্দারা আসতে পারছেন না। দোকান খুললেও ক্রেতার তেমন দেখা পাওয়া যাবে না ভেবেই অনেকেই দোকান খোলার আগে পরিস্থিতি দেখে নিতে চাইছেন।

অনেকেই বলছেন, দোকান খোলা মানেই কর্মচারী প্রয়োজন। অনেকেই লকডাউনের  কারণে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। আসতে পারছেন না। অনেকে আবার ভাবছেন, দোকান খোলা মানে কর্মচারীদের বেতন থেকে সব কিছু সুবিধা দিতে হবে। তাতে ক্রেতা না থাকায় লাভের চেয়ে লোকসানই বেশি হবে বলে মনে করছেন তাঁরা। সে কারণেও বড় দোকানদাররা এখনই দোকান খুলতে নারাজ। তবে ছোট ছোট বেশ কিছু দোকান গুমটি দোকান খুলেছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী বলেন, কোন কোন দোকান খোলা যাবে তা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে সরকার। নিয়ম মেনে সেইসব দোকান খোলা যাবে। সেখানে সরকারি গাইডলাইন মানা হচ্ছে কিনা তা নজরে রাখছে প্রশাসন।

First published: May 5, 2020, 4:49 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर