• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • লক ডাউন শিথিল হবে তাড়াতাড়ি ! আশায় বর্ধমান

লক ডাউন শিথিল হবে তাড়াতাড়ি ! আশায় বর্ধমান

মজুররা কাজ না করায় সবজির রফতানিতে বন্ধ। সবজির দাম পাচ্ছেন না কৃষকরা।

মজুররা কাজ না করায় সবজির রফতানিতে বন্ধ। সবজির দাম পাচ্ছেন না কৃষকরা।

মজুররা কাজ না করায় সবজির রফতানিতে বন্ধ। সবজির দাম পাচ্ছেন না কৃষকরা।

  • Share this:

#বর্ধমান: পাঁচ দিন পর লক ডাউন শিথিল হবে বর্ধমানে! এমনই আশায় পূর্ব বর্ধমান জেলার বাসিন্দারা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নেই এবং পরবর্তী সময়ে সংক্রমণের আশঙ্কা কম এমন এলাকাগুলিতে লক ডাউনে কিছু কিছু ছাড় দেওয়া হবে।

সেই ঘোষণার পর লক ডাউন শিথিল হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী বর্ধমানের বাসিন্দারা। জেলা প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত এই জেলায় কোনও বাসিন্দার দেহে করোনার সংক্রমণ পাওয়া যায়নি। দশ জনের মতো পুরুষ মহিলার লালা রসের নমুনা নাইসেডে পাঠানো হয়েছিল। প্রত্যেকেরই করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে। বিদেশ বা অন্য রাজ্য থেকে আসা পুরুষ মহিলাদের বেশির ভাগই হোম কোয়ারেন্টাইনের সময় সীমা পূর্ণ করেছেন। তাঁদের কারো দেহে করোনার সংক্রমণ মেলেনি। সব মিলিয়ে এই জেলায় এখন পর্যন্ত থাবা বসাতে পারেনি করোনা। তাই লক ডাউন কিছুটা শিথিলের আসার আলো দেখতে শুরু করেছেন অনেকেই।

রাজ্যের শস্য ভান্ডার হিসেবে পরিচিত পূর্ব বর্ধমান। দেশের ধান উৎপাদক জেলাগুলির মধ্যে অগ্রগণ্য পূর্ব বর্ধমান। সামনেই বোরো ধান কাটার মরশুম। আর সপ্তাহ খানেক পরই ধান কাটা, তারপর ধান ঝাড়া শুরু হয়ে যাবে। লক ডাউনের জেরে শ্রমিক কোথায় মিলবে তা নিয়ে চিন্তিত কৃষকরা। শ্রমিকের অভাবে মাঠ থেকে উঠছে না শশা, ঝিঙে, ঢেঁড়শ-সহ যাবতীয় সবজি। মজুররা কাজ না করায় সবজির রফতানিতে বন্ধ। সবজির দাম পাচ্ছেন না কৃষকরা।

কৃষি ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হলে কিছুটা সুবিধা মিলবে বলে মনে করছেন অনেকেই। তবে তাঁরা বলছেন, মূলত বাইরের জেলা বা বাইরের রাজ্যের শ্রমিকদের ওপর ধান কাটা ধান ঝাড়ার কাজ নির্ভরশীল। সেই সুবিধা মিলবে না বলেই মনে করছেন তাঁরা। তাই বেশি করে ধান ঝাড়ার মেশিন যাতে আনা যায়- রাজ্য সরকার সেই উদ্যোগ নিক বলছেন সম্পন্ন কৃষকরা। তবে জেলায় লক ডাউন শিথিল হলে ওষুধের অভাব মিটবে বলে মনে করছেন অনেকেই। মফস্বল এলাকাগুলিতে এখনও অনেক ওষুধ অমিল। বাস বা অন্যান্য যান চলাচল বন্ধ থাকায় মফস্বল বাজারগুলি থেকে অনেকেই ওষুধ আনতে জেলা সদর বর্ধমানে যেতে পারছেন না। অনেক দিন আনি দিন খাই মানুষ কাজ হারিয়ে গৃহবন্দি। কাজে ছাড় দেওয়া হলে উপকৃত হবে সেইসব পরিবার।

Saradindu Ghosh

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: