দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বর্ধমান আসানসোল শাখায় ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় খুশি নিত্যযাত্রীরা

বর্ধমান আসানসোল শাখায় ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় খুশি নিত্যযাত্রীরা

দীর্ঘদিন ধরেই যাত্রীরা ট্রেন চলাচল শুরু করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন অনেকেই। তাঁদের সেই প্রতীক্ষার অবসান হল।

  • Share this:

#বর্ধমান: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বর্ধমান আসানসোল শাখায় লোকাল ট্রেন চলাচল শুরু হলো। সেই সঙ্গে আট মাস পর বুধবার থেকে বর্ধমান রামপুরহাট শাখাতেও লোকাল ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় খুশি বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরেই যাত্রীরা ট্রেন চলাচল শুরু করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন অনেকেই। তাঁদের সেই প্রতীক্ষার অবসান হল।

বর্ধমান হাওড়া কর্ড ও মেন শাখায় আগেই লোকাল ট্রেন পরিষেবা শুরু হয়েছিল। বর্ধমান কাটোয়া শাখাতেও লোকাল ট্রেন চলাচল করছিল। এবার লোকাল ট্রেন চলাচল শুরু হলো বর্ধমান আসানসোল শাখায়। বর্ধমান রামপুরহাট শাখায় লোকাল ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে সমস্যা অনেকটাই মিটলো- বলছেন এই শাখার যাত্রীরা। একইসঙ্গে এ দিন থেকে কাটোয়া আজিমগঞ্জ শাখাতেও লোকাল ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।

আজ, বুধবার থেকে ট্রেন চলাচল শুরু করার জন্য কয়েকদিন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছিল রেল। স্টেশনগুলি পরিচ্ছন্ন করে তোলা হচ্ছিল। স্যানিটাইজ করা হয় প্ল্যাটফর্ম, টিকিট কাউন্টার, পানীয় জলের জায়গা,শৌচাগার। প্ল্যাটফর্মে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করতে গোল গণ্ডি কেটে দেওয়া হয়েছে সব স্টেশনে ঢোকার মুখে রয়েছে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা। স্টেশনগুলির সঙ্গে অ্যাম্বুল্যান্স যুক্ত রাখা হয়েছে। কোনও যাত্রী দেহে করোনার উপসর্গ মিললে তাকে আলাদা করার জন্য আইসোলেশন রুম রাখা হয়েছে। এরপর তাদের সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক ব্যবহার সহ যাবতীয় স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার জন্য বারে বারে মাইকে ঘোষণা করা হচ্ছে।

বর্ধমান স্টেশন থেকে দুর্গাপুর, আসানসোল, রানীগঞ্জ ও তার আশপাশের শহরগুলিতে যাতায়াত করেন অনেকেই। নিত্যযাত্রীরা বলছিলেন, আনলক পর্বের হাত ধরে অনেক জায়গাতেই স্বাভাবিক কাজকর্ম শুরু হয়ে গেছে। ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে খুবই সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছিল। বাসের মধ্যে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে যাতায়াত করতে হচ্ছিল। তাতে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা থাকছিল। সেই ঝুঁকিকে সঙ্গী করেই যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছিলাম আমরা। বাসের ভাড়া ও সময় দুইই বেশি লাগছিল। তার ওপর দীর্ঘ বাসযাত্রার ধকল সহ্য করতে হচ্ছিল। ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় অনেক দিক থেকেই সুবিধা হল।

ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় খুশি বর্ধমান রামপুরহাট শাখার যাত্রীরাও। তাঁরা বলছেন,শুধু নিত্যযাত্রীরা নন, অনেক ছোট ব্যবসায়ী ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। অনেকের চিকিৎসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গাড়ি ভাড়া করে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার সাধ্য নেই অনেকেরই। ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় উপকৃত হলাম সকলেই।

শরদিন্দু ঘোষ

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: December 2, 2020, 12:42 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर