হোম /খবর /দক্ষিণবঙ্গ /
জোর ধাক্কা রাজ্য বিজেপিতে ! পদ ছাড়লেন বর্ধমান জেলার এক ঝাঁক নেতা

Bardhaman News: জোর ধাক্কা রাজ্য বিজেপিতে ! পদ ছাড়লেন বর্ধমান জেলার এক ঝাঁক নেতা

জোর ধাক্কা রাজ্য বিজেপিতে ! পদ ছাড়লেন বর্ধমান জেলার এক ঝাঁক নেতা

জোর ধাক্কা রাজ্য বিজেপিতে ! পদ ছাড়লেন বর্ধমান জেলার এক ঝাঁক নেতা

পদ ছেড়ে তাঁরা চিঠিতে লিখেছেন, ‘‘জেলা সভাপতির অযোগ্য নেতৃত্বের কারণে একাধিক পদাধিকারি পদত্যাগ করলাম। আমরা পদে নেই, পদ্মে আছি। জেলা সভাপতিকে উদ্দেশ্য করে চিঠিতে লেখা, আপনার অযোগ্য নেতৃত্ব বর্ধমান বিজেপির সংগঠন তলানিতে এসেছে।’’

  • Local18
  • Last Updated :
  • Share this:

শরদিন্দু ঘোষ, বর্ধমান: ফের দল ছাড়লেন বর্ধমান জেলা বিজেপির এক ঝাঁক নেতা। মূলত জেলা সভাপতির ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেই দল ছাড়লেন তাঁরা। দু’দিন আগেই জেলা সহ সভাপতির পদ ছেড়েছিলেন বিজেপি নেতা শ্যামল রায়। এবার তাঁর পথ অনুসরণ করলেন এক ঝাঁক নেতা। সব মিলিয়ে জেলা বিজেপিতে আবারও ফাটল দেখা দিল। পাঁচ নেতা পদ থেকে ছাড়লেন। সব মিলিয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলায় পঞ্চায়েত ভোটের আগে যথেষ্টই  অস্বস্তিতে বিজেপি।

পদ ছেড়ে তাঁরা চিঠিতে লিখেছেন, ‘‘জেলা সভাপতির অযোগ্য নেতৃত্বের কারণে একাধিক পদাধিকারি পদত্যাগ করলাম। আমরা পদে নেই, পদ্মে আছি। জেলা সভাপতিকে উদ্দেশ্য করে চিঠিতে লেখা, আপনার অযোগ্য নেতৃত্ব বর্ধমান বিজেপির সংগঠন তলানিতে এসেছে।’’

আরও পড়ুন-বর্ধমানের দাপুটে নেতাকে বহিষ্কার করল রাজ্য বিজেপি ! সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে কী লিখলেন বহিষ্কৃত সেই নেতা?

জেলা সভাপতি, বিরোধী দলনেতা ও সাংসদকে হোয়াটসঅ্যাপে পদত্যাগ পত্র পাঠালেন বর্ধমান সদর জেলা তফশিলী মোর্চার প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক এবং তফশিলী রাজ্য মোর্চার সদস্য রাজু পাত্র, জেলা কমিটির অন্যতম সদস্য প্রদীপ মণ্ডল, ৩২ নং জেডপির অঞ্চল সভাপতি প্রফুল্ল ঘোষ,৩২ নং জেডপির শক্তিকেন্দ্র প্রমূখ গৌতম ঘোষ ও ৩২ নং জেডপি-এর ২০৮ নং বুথ সভাপতি রানা দাসজেলা সভাপতিকে অযোগ্য ও তাঁর সঙ্গে বনিবনা হচ্ছে না অভিযোগ তুলে পদ ছাড়লেন পাঁচ পদাধিকারী।দু’দিন আগেই জেলা সভাপতি ও সাংসদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে পদ থেকে পদত্যাগ করেন জেলা বিজেপির সহ সভাপতি শ্যামল রায়।

পদত্যাগী রাজু পাত্রের অভিযোগ দলে সম্মান পাচ্ছি না, সভাপতি নিজের মতো করে চলছেন। সভাপতি জাতিগত রাজনীতি ও পরিবারতন্ত্র চালাচ্ছেন ৷ এস সি কমিউনিটির মানুষেরা কোনও সম্মান পাচ্ছে না। তাঁর আরও অভিযোগ, দলকে এ বিষয়ে জানিয়েও কোনও সুরাহা হচ্ছে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, সাত দিন সময় দিচ্ছি দলকে, না হলে আগামী দিনে পদত্যাগের লাইন পড়ে যাবে। তাঁদের দাবি, দলে তাঁদের যোগ্য সম্মান দিয়ে কাজ দিতে হবে। যদিও এ বিষয়ে জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ তা কে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেন নি।

-আরও পড়ুন- মালদহের কালিয়াচকে উদ্ধার প্রচুর পরিমাণে ব্রাউন সুগার এবং নিষিদ্ধ কফ সিরাপ !

গত কয়েকদিনে বিজেপির কয়েকজন পদ থেকে পদত্যাগ করায় জেলা তৃণমুলের মুখপাত্র প্রসেনজিত দাস কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘তৃণমুল রাস্তায় আছে আর বিজেপি নিজেদের মধ্যে লড়াইয়ে আছে। দলটা গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জর্জরিত। অন্যায়, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। দলে কর্মী নেই, কিছু নেতা দলটাকে পরিচালনা করে। এটা সবে ভাঙনের শুরু, শেষ দেখতে পাবেন আগামিতে। দলটা উঠে যাবে। বর্তমানে খাতায় কলমে এবং অফিসটা আছে।’’

পাশাপাশি জেলা বিজেপির মুখপাত্র তথা সহ সভাপতি সৌম্যরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চিঠি দিয়েছে। অভিযোগ, মতান্তর থাকতে পারে, যথাযথ জায়গায় জানিয়ে আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নিতে পারত। এরা গতকাল, বুধবার পর্যন্ত সক্রিয় ভাবে সংগঠন করেছে, এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি যে তাদের রাতারাতি পদত্যাগ করতে হবে। তবে সভাপতির বিরুদ্ধে জাতিগত ও পরিবারতন্ত্র নিয়ে অভিযোগ ঠিক নয়। সভাপতি সবাইকে নিয়ে চলেন। ব্যক্তি আক্রমণ ঠিক নয়। তাদের নিয়ে বসে যাতে সমস্যা মেটে সেটা দল চেষ্টা করবে।

Published by:Siddhartha Sarkar
First published:

Tags: Bardhaman news, Bengal BJP, West Bengal BJP