বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের পরিচালন সমিতির কেন ভেঙে দিল উচ্চশিক্ষা দফতর ?

বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের পরিচালন সমিতির কেন ভেঙে দিল উচ্চশিক্ষা দফতর ?

কী কারনে উচ্চশিক্ষা দফতরকে এমন পদক্ষেপ নিতে হল তা নিয়েই এখন পূর্ব বর্ধমান জেলা জুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের পরিচালক সমিতি ভেঙে দেওয়া হল। সরাসরি উচ্চশিক্ষা দফতর থেকে চিঠি পাঠিয়ে ওই কমিটি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তার বদলে উচ্চ শিক্ষা দফতরের পদস্থ এক আধিকারিককে স্কুলের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। সরাসরি উচ্চশিক্ষা দফতর বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের মতো নামী ও ঐতিহ্যবাহী স্কুলের পরিচালন কমিটি ভেঙে দেওয়ায় শহর জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। কী কারনে উচ্চশিক্ষা দফতরকে এমন পদক্ষেপ নিতে হল তা নিয়েই এখন পূর্ব বর্ধমান জেলা জুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। শতাব্দী প্রাচীন এই স্কুল বর্ধমানের নামি স্কুলগুলির মধ্যে অগ্রগণ্য। ধারাবাহিক ভাবে এই স্কুল মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় নজরকাড়া ফল করে। ২০১৮ সালে রাজ্যের সেরা স্কুল হিসেবে রাজ্য সরকারের পুরস্কার পেয়েছিল এই স্কুল। সরাসরি রাজ্য সরকারের উচ্চ শিক্ষা দফতর হস্তক্ষেপ করে এই স্কুলের পরিচালন সমিতি ভেঙে দেওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মাত্র ছ মাস আগেই এই স্কুলের পরিচালন সমিতি গঠিত হয়েছিল। পাঁচ জানুয়ারি বিকাশ ভবন থেকে পাঠানো ডেপুটি সেক্রেটারির সই করা চিঠিতে বলা হয়- এই স্কুলের বর্তমান পরিচালন সমিতির কাজ মসৃনভাবে স্কুল চালনার পরিপন্থি। পরিচালন সমিতি সঠিকভাবে কার্যকরী নয়। তারফলে স্কুলের দৈনন্দিন কাজ বিঘ্নিত হচ্ছে। তাই এই কমিটি ভেঙে ফেলা হল।

কিন্তু কি এমন ঘটনায় এভাবে শিক্ষা দফতরকে হস্তক্ষেপ করতে হল তার কারন খুঁজছে বিভিন্ন মহল। কেউ কেউ স্কুলে ভর্তি প্রক্রিয়ায় পরিচালন সমিতির কোনও কোনও সদস্যের খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ তুলছেন। আবার সরাসরি শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নির্দেশেই স্কুল পরিচালন সমিতি ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে বলেও শোনা যাচ্ছে। স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি থাকহরি ঘোষ বলেন, খুবই দুঃখজনক ঘটনা। এভাবে সরাসরি উচ্চশিক্ষা দফতরের হস্তক্ষেপ করার মতো কিছু ঘটেছে বলে মনে করতে পারছি না। ফাঁসির আসামিকেও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে আমাদের কিছু জানানো বা জানতে চাওয়া হয়নি। বৃহস্পতিবার স্কুল পরিচালন সমিতির বৈঠক চলাকালীন উচ্চ শিক্ষা দফতরের এই চিঠি আসে বলে স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে। যদিও প্রধান শিক্ষক শম্ভুনাথ চট্টোপাধ্যায় সংবাদ মাধ্যমের কাছে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

First published: February 8, 2020, 1:14 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर