নার্সিংহোমে স্বাস্থ্যসাথী পুরোপুরি কার্যকর করতে বিশেষ তৎপর পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন  

নার্সিংহোমে স্বাস্থ্যসাথী পুরোপুরি কার্যকর করতে বিশেষ তৎপর পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন  
নার্সিংহোমগুলি যাতে দ্রুত তাদের প্রাপ্য পেয়ে যায় তা নিশ্চিত করা হবে বলে নার্সিংহোম মালিকদের আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন

নার্সিংহোমগুলি যাতে দ্রুত তাদের প্রাপ্য পেয়ে যায় তা নিশ্চিত করা হবে বলে নার্সিংহোম মালিকদের আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন

  • Share this:

#বর্ধমান: স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাক বা না থাক কোনও রোগীকেই চিকিৎসা না করে ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড না থাকলে সেই রোগীকে ভর্তি নিয়ে দ্রুততার সঙ্গে সেই কার্ড করিয়ে নিতে হবে। জেলার বেসরকারি নার্সিংহোমগুলিকে এই নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। সেইসঙ্গে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকা পুরুষ মহিলাদের চিকিৎসার করানোর পর নার্সিংহোমগুলি যাতে দ্রুত তাদের প্রাপ্য পেয়ে যায় তা নিশ্চিত করা হবে বলে নার্সিংহোম মালিকদের আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড না থাকলেও রোগী ফেরাতে পারবে না বেসরকারি নার্সিংহোম বা হাসপাতাল। জরুরি ভিত্তিতে স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড করিয়ে পরিষেবা দিতে হবে। পূর্ব বর্ধমান জেলার নার্সিংহোম মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে এমনই নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন তথা স্বাস্থ্য দপ্তর। সেইসঙ্গে এই জেলায় স্বাস্থ্যসাথী ইম্প্লিমেন্টেশন অ্যান্ড মনিটরিং কমিটিও গঠন করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসাথীর কার্ডে চিকিৎসা পেতে যাতে কোনও রকম সমস্যা না হয়,যাতে দ্রুততার সঙ্গে অসুস্থদের স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা যায় তা সুনিশ্চিত করবে এই কমিটি। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের কাজ যাতে এই জেলায় পুরোপুরিভাবে কার্যকর থাকে সে ব্যাপারে নজরদারি চালাবে এই কমিটির সদস্যরা।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় বেসরকরি নার্সিংহোম বা বেসরকারি হাসপাতল রয়েছে একশ কুড়িটি। ইতিমধ্যেই বেশিরভাগ বেসরকারি নার্সিং হোম ও হাসপাতাল স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় চলে এসেছে। এখন বেসরকারি ক্ষেত্রে বাসিন্দারা যাতে স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে যথাযথ চিকিৎসা পান, এই কার্ডের চিকিৎসা করাতে বেসরকারি নার্সিংহোম বা হাসপাতালে গিয়ে যাতে প্রত্যাখ্যাত না হতে হয় তা নিশ্চিত করতে বিশেষ তৎপর জেলা প্রশাসন। তা নিশ্চিত করতে নার্সিংহোম মালিক সংগঠনের সঙ্গে ইতিমধ্যে বৈঠক করেছে জেলা প্রশাসন। সেখানে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা ছাড়াও জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন।


বৈঠকে নার্সিংহোম মালিকরা সরকারের ঘরের যাতে বেশিদিন টাকা আটকে না থাকে তা নিশ্চিত করার আবেদন জানান। স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে চিকিৎসা করার এক মাসের মধ্যে নার্সিংহোম গুলি সরকারের কাছ থেকে টাকা পেয়ে যাবে বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

Published by:Ananya Chakraborty
First published:

লেটেস্ট খবর