• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • জোড়া সেতুর মাঝে বাঁকা নদীর তীরে সৌন্দর্যায়নের কাজ চলছে বর্ধমানে

জোড়া সেতুর মাঝে বাঁকা নদীর তীরে সৌন্দর্যায়নের কাজ চলছে বর্ধমানে

বর্ধমানের বীরহাটায় বাঁকা নদীর দুই সেতুর মাঝে সৌন্দর্যায়নের কাজ শুরু করল বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদ।

বর্ধমানের বীরহাটায় বাঁকা নদীর দুই সেতুর মাঝে সৌন্দর্যায়নের কাজ শুরু করল বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদ।

বর্ধমানের বীরহাটায় বাঁকা নদীর দুই সেতুর মাঝে সৌন্দর্যায়নের কাজ শুরু করল বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদ।

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমানের বীরহাটায় বাঁকা নদীর দুই সেতুর মাঝে সৌন্দর্যায়নের কাজ শুরু করল বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদ। ইতিমধ্যেই সেখানে সুউচ্চ ঘড়ি বসানো হয়েছে। এরপর ওই এলাকায় বাঁকা নদীর বাঁধানো ঘাট তৈরি হচ্ছে। তবে বাসিন্দারা বলছেন, আগে নাব্যতা বাড়ানো হোক বাঁকা নদীর। বর্ধমান শহরের মাঝ দিয়ে বয়ে গিয়েছে বাঁকা নদী। শহরের লাইফ লাইন বলা হয় এই নদীকে। উপযুক্ত সংস্কারের অভাবে পলি পরে মজে গিয়েছে সেই লাইফ লাইন। জবর দখলের ফলে ক্রমশ সংকীর্ণ হতে হতে আজ সরু নালায় পরিনত হয়েছে এই নদী। অবিলম্বে এই নদী সংস্কার হোক চাইছেন বাসিন্দারা। বর্ধমান শহরের সব নর্দমার জল পড়ে বাঁকা নদীতে। স্হানে স্হানে ফেলা হয় নোংরা আবর্জনা। তার ওপর বাঁকার বুকের ওপর গজিয়ে উঠেছে বেআইনি নির্মাণ। ফলস্বরূপ শহরবাসীর গর্বের এই নদী আজ নালায় পরিনত হয়েছে। জল বয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা হারিয়েছে এই নদী। নোংরা আবর্জনা মরা জীবজন্তু ফেলা হচ্ছে নদীগর্ভে। ফলে আজ বর্ধমানে  দূষনের আর এক নাম বাঁকা নদী। পানা জমে মজে গিয়েছে নদী। পলি জমে চর পড়েছে স্হানে স্হানে। বর্ষাতেও জল নেই নদীতে।  নদীর গতিপথ আটকে বাড়ি ঘর তৈরি হওয়ায় নাব্যতা হারিয়েছে বাঁকা। পূর্ব বর্ধমানের গলসির রামগোপালপুরে বাঁকার উৎপত্তি। 125 কিলোমিটার পার হয়ে মন্তেশ্বরে তা খড়ি নদীতে মিশেছে। খড়ি মিশেছে গঙ্গায়। দামোদরের বাড়তি জল বাঁকা দিয়ে প্রবাহিত হয়। গতিপথের মাঝে আট কিলোমিটার পড়ে বর্ধমান শহরের মধ্যে। বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থা কয়েক বছর আগে বাঁকা সংস্কারে উদ্যোগী হয়েছিল। ড্রেজিং করে পলি তুলে নাব্যতা বাড়ানো, বোল্ডার দিয়ে নদীপাড় বাঁধানো, নদীর পাড়ে সবুজায়ন, পার্ক তৈরি, রাস্তা নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কাজ শুরু হলেও তা হচ্ছে দু এক জায়গায়। ফলস্বরূপ প্রান পায়নি শহরের লাইফ লাইন। বাসিন্দারা বলছেন, দু দশক আগেও বাঁকা নদীতে প্রচুর মাছ পাওয়া যেত। অনেকে সেই মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন। এখন দূষনের জন্য কোনও মাছই মেলে না। আগে নির্ভাবনায় অনেকে স্নান করতেন। এখন জলই থাকে না। তাঁরা বলছেন, শহরের দু প্রান্তে লকগেট করে জল ধরে রেখে জলপথ পরিবহণ চালু করা যেতে পারে। বোট নামিয়ে বিনোদনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। তার আগে বাঁকা নদীকে দূষণমুক্ত ও দুপারের সৌন্দর্যায়ন জরুরি।

বর্ধমান পুরসভা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নর্দমার জল যাতে বাঁকায় না পড়ে তার জন্যও বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। নোংরা আবর্জনা ফেলা থেকে বাসিন্দাদের বিরত করতে প্রচার চালানো হবে।

Published by:Akash Misra
First published: