corona virus btn
corona virus btn
Loading

তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উড়ে আসছে ছাই, দমবন্ধ অবস্থায় বাঁকুড়ার গ্রাম

তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উড়ে আসছে ছাই, দমবন্ধ অবস্থায় বাঁকুড়ার গ্রাম

২৫ বছরে ক্রমশ বড় হয়েছে বাঁকুড়ার মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। পাওয়ার গ্রিডের মাধ্যমে মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে দেশজুড়ে

  • Share this:

#বাঁকুড়া: ২৫ বছরে ক্রমশ বড় হয়েছে বাঁকুড়ার মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। পাওয়ার গ্রিডের মাধ্যমে মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে বিদ্যুৎ।

কিন্তু তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উড়ে আসা ছাই নিকাশি ব্যবস্থায় গাফিলতি। ছাইয়ের পাহাড়ে ঢেকেছে সংলগ্ন লটিয়াবনি গ্রাম।দূষণ থেকে মুক্তি পেতে আন্দোলনের রাস্তায় হেঁটেছেন লটিয়াবনির মানুষ।

যেদিকে চোখ পড়বে, সেদিকেই সাদা জনপদ। না বরফ না। উড়ছে রাশি রাশি ছাই। ছাইয়ের পাহাড়ে ঢেকেছে রাস্তা-ঘাট। খেলার মাঠ। পুকুর। চাষের জমি। বাঁকুড়ার লটিয়াবনি গ্রামের চেহারাটা এরকমই। খোলা আকাশের তলায় দু’মিনিট দাঁড়ালেই লটিয়াবনির বাসিন্দাদের গায়ে সাদা ছাইয়ের আস্তরণ। লটিয়াবনি সংলগ্ন মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উড়ে আসছে ছাই। আর তাতেই দমবন্ধ অবস্থায় গোটা গ্রাম।

গ্রামবাসীদের দাবি, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর প্রথম দিকে বর্জ্য ছাই জমা রাখার জন্য প্রথমে একটি পুকুর তৈরি হয়। কিন্তু উ‍ৎপাদন শুরুর কয়েকবছরের মধ্যেই তা ভরে যায়। এরপর উ‍ৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও ছাই জমানোর বিকল্প কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ২০০৮ থেকে বহু আন্দোলনেও কাজ হয়নি। প্রশাসনিক স্তরে একাধিকবার আর্জি জানিয়েও বিফলে গিয়েছে। বাইট- বাবলু মণ্ডল, গ্রামবাসী

বাধ্য হয়ে তাই আবারও আন্দোলনে নেমেছে লটিয়াবনির বাসিন্দারা। লটিয়াবনির ছাইচাপা পরিস্থিতি মানছে স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতিও। লটিয়াবনিতে এখন কমপক্ষে ১ হাজার মানুষের বাস। দূষণ রোধ না হলে ক্রমে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবেন তাঁরা। আশঙ্কায় বাসিন্দারা।

First published: April 23, 2017, 1:49 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर