Home /News /south-bengal /
Bangla news: সাংঘাতিক! বৃদ্ধ শিক্ষককে ভোজালি দেখিয়ে চুরি! শেষে পা ছুঁয়ে প্রণাম করে, টাকা রেখে পালাল চোর

Bangla news: সাংঘাতিক! বৃদ্ধ শিক্ষককে ভোজালি দেখিয়ে চুরি! শেষে পা ছুঁয়ে প্রণাম করে, টাকা রেখে পালাল চোর

সাংঘাতিক! বৃদ্ধ শিক্ষককে ভোজালি দেখিয়ে চুরি! শেষে পা ছুঁয়ে প্রণাম করে, টাকা রেখে পালাল চোর

সাংঘাতিক! বৃদ্ধ শিক্ষককে ভোজালি দেখিয়ে চুরি! শেষে পা ছুঁয়ে প্রণাম করে, টাকা রেখে পালাল চোর

Bangla News: হঠাৎ দুই যুবক মুখ ঢেকে হাসুয়া ও ভোজালি নিয়ে ঘরের ভিতর ঢুকে যায়।

  • Share this:

#মুর্শিদাবাদ: ফরাক্কা ব্যারেজের হাইস্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক হরিশচন্দ্র রায়। ১৯৯৭ সালে অবসরের পরে ব্যারেজের আবাসনেই থাকেন তিনি। পরিবার বলতে ছোট ভাই রয়েছেন। অসুস্থতার কারণে ছোট ভাই বর্তমানে তাঁর সঙ্গেই থাকেন। দীর্ঘদিন ফরাক্কায় শিক্ষকতা করার সুবাদে সকল মানুষই তাঁকে সম্মানের চোখে দেখেন। শুধু তাই নয় এখনও কোনো গরীব ছাত্র পড়তে না পারলে তাকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেন হরিশচন্দ্রবাবু।

কিন্তু বেশ কিছুদিন শারিরীক অসুস্থতার কারণে ব্যাঙ্গালোরে চিকিৎসা চলছে। প্রতিদিন রাতে ওষুধ খেতে হয়। চলা ফেরার অসুবিধার জন্য প্রতিদিন সকালে ফিজিওথেরাপি করাতে আসেন এক যুবক। সোমবার রাতে হরিশচন্দ্র বাবু ও তাঁর ভাই খাওয়া দাওয়া করে বাড়িতে বসেছিলেন। গরম থাকায় বাড়ির দরজা খোলা ছিল। সেই সময়ে হঠাৎ দুই যুবক মুখ ঢেকে হাসুয়া ও ভোজালি নিয়ে ঘরের ভিতর ঢুকে যায়। প্রধান শিক্ষকের ভাই বাধা দিলে তার গলায় ভোজালি ধরে তাকে শৌচালায়ের ভিতর ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়।

এরপরেই প্রধান শিক্ষককে তাঁর সমস্ত টাকা পয়সা দেওয়ার জন্য ভয় দেখাতে থাকে। প্রধান শিক্ষক আলমারিতে রাখা ১৫হাজার টাকা ও প্রতিদিনের বাজার হাট করার জন্য দেড় হাজার টাকা এক দুষ্কৃতীর হাতে তুলে দেন। যাওয়ার সময় তারা দুটো মোবাইলও নিয়ে যায়। চুরি করে বেড়ানোর সময় শিক্ষক মহাশয়কে প্রণাম করে এক চোর। তখনই শিক্ষক বলেন, "সকালে বাজার ও ফিজিওথেরাপি আছে কিছু টাকা রেখে যা।"

আরও পড়ুন- শহর জুড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ফাঁদ! সিইএসসি-র নজরদারির গাফিলতিতেই ঘটছে এমন?

তখন প্রধান শিক্ষকের পায়ের কাছে ২০০টাকা ও একটি মোবাইল রেখে যায় চোর। এই ঘটনায় ফরাক্কা ব্যারেজের আবাসনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাঁদের অভিযোগ, ফরাক্কা ব্যারেজের আবাসনে আগে সিআইএসএফ-এর টহলদারি থাকলেও বর্তমানে তা নেই। পুলিশও আসে না। তার ফলে বেড়েছে এই ধরনের চুরির ঘটনা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে ফরাক্কা থানার আইসি। আবাসনে কড়া নিরাপত্তার আশ্বাস দেন তিনি।

দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। হরিশচন্দ্র রায় বলেন, "দুষ্কৃতীরা ঘরে ঢুকতেই টাকা চাইতেই প্রাণের ভয়ে আমি আলমারি থেকে সব টাকা বের করে দিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু তারপরেও ওরা গোটা ঘরের মধ্যে সব জিনিসপত্র তছনছ করে। কিন্তু ঘর থেকে বেরনোর সময় আমাকে প্রণাম করে।"

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published:

Tags: Murshidabad

পরবর্তী খবর