Home /News /south-bengal /
Record rainfall in Bankura & Asansol|| সব রেকর্ড ভেঙে চুরমার! অতি বৃষ্টি-ডিভিসির জলে পুজোর মুখে আসানসোলে বন্যার আশঙ্কা

Record rainfall in Bankura & Asansol|| সব রেকর্ড ভেঙে চুরমার! অতি বৃষ্টি-ডিভিসির জলে পুজোর মুখে আসানসোলে বন্যার আশঙ্কা

জলমগ্ন আসানসোল

জলমগ্ন আসানসোল

Record rainfall in Bankura & Asansol: গত ২৪ ঘণ্টায় আসানসোলে বৃষ্টি হয়েছে ৪৩৪.৫ মিলিমিটার, বাঁকুড়ায় ৩৫৪.৩ মিলিমিটার। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৮ সালের ২৭ জুলাই ১৯২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল আসানসোলে। বাঁকুড়ায় ক্ষেত্রে এত পরিমান বৃষ্টি হয়েছিল ১৯২২ সালের ২২ জুন।

আরও পড়ুন...
  • Share this:

    #আসানসোল: ভেঙে চুরমার সমস্ত রেকর্ড (Record rainfall in Bankura & Asansol)। অতি বৃষ্টিতে (Extremely Heavy Rain) ভাসছে আসানসোল (Asansol) এবং বাঁকুড়া (Bankura)। পশ্চিমের জেলা গুলিতে ভারী বর্ষন, আর দফায় দফায় ডিভিসির (DVC) ছাড়া জলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে রুপনারায়ণ, দ্বারকেশ্বর, মুন্ডেশ্বরী ও দামোদর নদী। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আসানসোলে বৃষ্টি হয়েছে ৪৩৪.৫ মিলিমিটার, বাঁকুড়ায় ৩৫৪.৩ মিলিমিটার। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৮ সালের ২৭ জুলাই ১৯২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল আসানসোলে। বাঁকুড়ায় ক্ষেত্রে এত পরিমান বৃষ্টি হয়েছিল ১৯২২ সালের ২২ জুন। সেদিনের বৃষ্টির পরিমান ছিল ২৯২.৪ মিলিমিটার। কিন্তু এ দিন সমস্ত রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। কালিপাহাড়ি ও নিমচার মধ্যে ট্রেন চলাচলও আপাতত বন্ধ।

    স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কোথাও বাঁধ ভেঙে, আবার কোথাও বাঁধ উপচে জল ঢুকছে আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাট ও পুরশুড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায়। সব মিলিয়ে হুগলির আরামবাগ মহকুমা জুড়ে লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। ইতি মধ্যেই বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং ও নীচু এলাকার মানুষদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। অন্যদিকে, দামোদর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করতে মাইকিং শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। ২ লক্ষ ২১ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে দুর্গাপুর ব্যারেজ। সেই জলেই বানভাসি হওয়ার আশঙ্কা পূর্ব বর্ধমানের রায়না, খন্ডঘোষ, জামালপুরের বেশ কিছু এলাকা। আরও জল ছাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি দামোদরের ভাঙন ব্যাপক আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয় বাসিন্দাদের।

    আরও পড়ুন: পুজো শুরু বালিজুড়ির মুখোপাধ্যায় বাড়িতে, রোমহর্ষক ১১১১ বঙ্গাব্দে শুরু পুজোর ইতিহাস

    বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আট'টা পর্যন্ত  আসানসোলে বৃষ্টি (Extremely Heavy Rain) হয়েছে ৪৩৪.৫ মিলিমিটার, লুচিপুরে ৪১৫.০,  বাঁকুড়ায় ৩৫৪.৩ মিলিমিটার, খারিদ্বারে ২১৯ মিলিমিটার, দুরগাপুরে ১৯৯.৪ মিলিমিটার, টুসুমায় ১৮৮.৪ মিলিমিটার, পুরুলিয়ায় ১৭৫ মিলিমিটার, শিমুলিয়ায় ১৪১.৬ মিলিমিটার, কংসাবতীতে ১৩৯.২ মিলিমিটার, ফুলবেড়িয়ায় ১১৩.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

    আরও পড়ুন: খাটের উপর রান্না থেকে ত্রাণ শিবিরের প্রস্তুতি, ক্রমশই খারাপ হচ্ছে হলদিয়ার পরিস্থিতি

    কয়েক দিন ধরে টানা বৃষ্টি (Extremely Heavy Rain) ও পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভারী বর্ষনের জেরে ফুঁসছে দ্বারকেশ্বর ও রুপনারায়ণ। তার জেরে আরামবাগর বাঁধ পাড়া, কালিপুর, নৈসরাই, মনসাতলা-সহ বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে জল ঢুকতে শুরু করেছে। জল উঠেছে আরামবাগ-কামারপুকুর ও আরামবাগ-বাঁকুড়া রাজ্য সড়কের ওপরে। জল ঢুকেছে গোঘাটেরও কামারপুকুর, সাতবেড়িয়া, অমরপুর, নকুন্ডা ও সাওড়া এলাকায়। বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে রুপনারায়ণ ও দ্বারকেশ্বর নদী। খানাকুলের কিশোরপুর অঞ্চলের বন্দীপুর এলাকায় বাঁধের একাংশ ভেঙে জল ঢুকছে হু হু করে। জল ঢুকছে খানাকুলের ধান্যঘড়ি এলাকাতেও। অন্যদিকে, পুরশুড়াতেও বিপদ বাড়িয়েছে ডিভিসির ছাড়া জল। দামোদর ও মুন্ডেশ্বরী নদীও বইছে বিপদ সীমার ওপর দিয়ে। ইতি মধ্যেই ২ লক্ষ কিউসেকেরও বেশি জল ছেড়েছে ডিভিসি। আরও জল ছাড়লে যে পুজোর মুখে কী পরিস্থিতি হতে, তা ভেবেই দিশেহারা মানুষ।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published:

    Tags: Asansol, Bankura

    পরবর্তী খবর