Home /News /south-bengal /
Bangla news: জলের তলায় খানাকুল আরামবাগের বেশ কিছু অংশ! অনবরত বৃষ্টির জন্য চরম ভোগান্তি

Bangla news: জলের তলায় খানাকুল আরামবাগের বেশ কিছু অংশ! অনবরত বৃষ্টির জন্য চরম ভোগান্তি

Bangla news: আকাশে মাঝে মাঝেই ঘন কালো মেঘ (Weather) চিন্তা বাড়াচ্ছে খানাকুলের। তাঁতিশাল এলাকায় মুণ্ডেশ্বরী নদীর বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

  • Share this:

#হুগলি: ছিল ধানের জমি। হয়ে গেল নৌকা চলাচলের চ্যানেল রুপনারায়ণ। মুণ্ডেশ্বরীর জলে বিঘের পর বিঘে চাষের জমি জলের তলায়। খানাকুলের তাঁতিশাল গ্রামের চেহারা এমনই। যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম নৌকা। তা নিয়েই চলছে জমি দেখে আসার কাজ। তবে আকাশে মাঝে মাঝেই ঘন কালো মেঘ (Heavy Rain in Bengal) চিন্তা বাড়াচ্ছে খানাকুলের। তাঁতিশাল এলাকায় মুণ্ডেশ্বরী নদীর বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এর সঙ্গে আরামবাগের মলয়পুর অঞ্চলের দেওয়ানপাড়া, পূর্ব কৃষ্ণপুর, কেশবপুর, তিরোল, বাতানল সহ একাধিক এলাকা জলের তলায়।

তাঁতিশাল এলাকায় উদ্ধারে নেমেছে সেনাবাহিনী। এছাড়া যারা বিভিন্ন উচুঁ বাড়িতে আটকে পড়েছেন, সেখানে ওষুধ ও শুকনো খাবার পৌছে দিচ্ছে সেনা। আরামাবাগ, খানাকুল, গোঘাট হুগলি জেলার এই সমস্ত এলাকা বরাবরই বন্যা প্রবণ। প্রতি বছর বন্যার ভ্রুকুটি সহ্য করতে হয় এই সব এলাকার মানুষদের। চলতি বছরেও তার অন্যথা হয়নি। হুগলি জেলার এই সব এলাকা রুপনারায়ণ, দ্বারকেশ্বর, মুণ্ডেশ্বরী, দামোদর নদ দিয়ে ঘেরা। এর মধ্যে রুপনারায়ণের জলে ভেসেছে খানাকুলের একাধিক গ্রাম। আর তার জেরেই জলের তলায় চাষের জমি।

আরও পড়ুন- খয়রাশোলের পাঁচড়ায় একইসঙ্গে পুজো হয় কবিরাজ পরিবারের ৭ দুর্গার, গায়ে কাঁটা দেওয়া ইতিহাস

বাড়নন্দনপুরের বাসিন্দা আনন্দ হাজরা। তাঁর ১২ বিঘা ধান জমি এখন জলের তলায়। তিনি জানাচ্ছেন, "প্রত্যেক বছরই তো আমাদের এই অত্যাচার সহ্য করতে হয়। এবারে দু'বার হল এমন। ব্যারেজ জল ছাড়লেও আমাদের জমি জলের তলায়। আর ভারী বৃষ্টি হলেও জলের তলায় চলে যায় আমাদের জমি। এভাবে আমরা আর কত বছর সহ্য করব।" বাসাবাটি'র বাসিন্দা সুনীল দারি। তাঁর জমিও জলের তলায়। তিনি জানাচ্ছেন, "পটল, উচ্ছে সহ মরসুমি সবজি আমার সব জলের তলায় চলে গেল। সব ফসল পচে গিয়েছে। কবে জল নামবে জানি না। ফলে কিছু আর ফেরত পাওয়ার আশা রাখি না।"

খানাকুলের গড়েরঘাটের রাস্তার দু'ধারে বিঘের পর বিঘে জমি জলের তলায় চলে গিয়েছে। প্রায় ৫ থেকে ৬ ফুট জলের উচ্চতা। অন্যদিকে, জলমগ্ন একাধিক গ্রাম আকাশপথে দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। এদিন বাসাবাটি, জগৎপুর-সহ একাধিক গ্রাম তিনি ঘুরে দেখেন আকাশপথে। প্রশাসনের তরফে কথা বলা হচ্ছে গ্রামবাসীদের সঙ্গে। তাঁদের নানা অসুবিধার কথা শোনা হচ্ছে। গ্রামবাসী শেফালি হাজরা জানিয়েছেন, "ওষুধ নিয়ে আসা গ্রামে সবচেয়ে সমস্যা। পুলিশকে বললাম, যাতে ওষুধ আমরা পেতে পারি।"

আর এক গ্রামবাসী মিনতি হাজরা বলছেন, "বাজার করতে যেতে পারছি না। গ্রাম তো একটা দ্বীপ হয়ে গিয়েছে। খাবার যাতে পাই সেটা দেখতে অনুরোধ করেছি পুলিশকে।" হুগলি জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ অবশ্য জানিয়েছেন, "জলবন্দি এলাকার মানুষের খোঁজ নিতেই আমাদের দল বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছে। কথা বলে চলেছি আমরা অবিরত। যা যা চাহিদা আছে সব দেখে দেওয়া হবে। বিশেষ করে ওষুধ ও খাবার।" তিনি নিজেও বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছেন।

Abir Ghoshal

আরও পড়ুন- পুজোর নতুন জামা এখানে অতীত, ছাদ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা বর্তমান

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published:

Tags: West bengal

পরবর্তী খবর