যোগী, মুকুল থেকে দিলীপ ঘোষ- বনগাঁর সব সভায় গরহাজির বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর

গত কয়েক মাস ধরে সর্বভারতীয় মতুয়া মহা সংঘের ব্যানারে একের পর এক ধর্মীয় সম্মেলনে হাজির হচ্ছেন তিনি।বর্তমানে বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে সেই সব সভায় যোগ দিচ্ছেন সাংসদের দাদা সুব্রত ঠাকুরও।

গত কয়েক মাস ধরে সর্বভারতীয় মতুয়া মহা সংঘের ব্যানারে একের পর এক ধর্মীয় সম্মেলনে হাজির হচ্ছেন তিনি।বর্তমানে বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে সেই সব সভায় যোগ দিচ্ছেন সাংসদের দাদা সুব্রত ঠাকুরও।

  • Share this:

#বনগাঁ: বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর সম্প্রতি সি এএ কেন এখনও দেশে লাগু হল না তা নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে সর্বভারতীয় মতুয়া মহা সংঘের ব্যানারে একের পর এক ধর্মীয় সম্মেলনে হাজির হচ্ছেন তিনি।বর্তমানে বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে সেই সব সভায় যোগ দিচ্ছেন সাংসদের দাদা সুব্রত ঠাকুরও।

সম্প্রতি বারাসত সংসদীয় জেলার সভাপতি শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়কে সরাবার জন্য বনগাঁর সাংসদের কাছে দরবার করে বেশ কিছু মানুষ। তা নিয়ে বিজেপির অন্দরমহলের গোষ্ঠী রাজনীতি মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে।

গত লোকসভা ভোটের সময় বনগাঁর রেল মাঠে শান্তনু ঠাকুরের হয়ে সভা করতে এসে ছিলেন বিজেপির স্টার ক্যাম্পেনার যোগী আদিত্য নাথ।উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর সেই নির্বাচনী সভায় শরীরিক অসুস্থতার কার দেখিয়ে সেই দিন গরহাজির ছিলেন শান্তনু ঠাকুর। এর পর বিজেপি নেতা মুকুল রায় চাঁদপাড়ায় গত বছর সভা করতে যায়।বনগাঁয় সেই সভায় বিপুল মানুষ উপস্থিত হলেও ছিলেন না বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। মুকুল রায় সেই দিন বলেছিলেন তাঁদের বনগাঁর সাংসদ জরুরি কাজে ব্যস্ত আছে তাই এই সভায় আসেনি। পরবর্তীতে দলের সভায় তাঁকে দেখা যাবে আশ্বাস দিয়েছিলেন মুকুল রায়।

 বৃহস্পতিবার ২৬শে নভেম্বর সন্ধ্যায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি পৌছে যান বনগাঁয়। শহরের রাত কাটিয়ে সকাল সকাল দিলীপ ঘোষ চায় পে চর্চায় বার হন।বনগাঁর ঠাকুর নগর থেকে বনগাঁর নীল দর্পণের মাঠ কয়েক কিমি মাত্র।কিন্তুু সাংসদ নেই সেখানেও।বেলা বাড়তেই শান্তনু ঠাকুরের অনুপস্থিতি নিয়ে দলের মধ্য শুরু হয় গুঞ্জন।

শুক্রবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের দুটি সভাই বনগাঁ লোকসভার মধ্যে।আর সেই এলাকার সাংসদের অনুপস্থিতি বেলা গ়ড়াতেই সকলের নজরে আসে।সকালে গোপাল নগরে বনগাঁ দক্ষিণ এর বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাসের বাড়ির পুকুরে ছিপ ফেলেন দিলীপ ঘোষ।একটা মনোপিয়া মাছ ধরার পর ছিপই তার ভেঙ্গে যায়।এই ঘটনাকে নিয়ে মজা করছে বিরোধী রা।

গোপালনগর স্কুল মাঠের সভা শুরু হয়। থিকথিক ভিড় মাঠে দিলীপ ঘোষ হুঙ্কার দিতে থাকেন শাসক দলকে।সেই সময় পাল্লা বাজারে ব্যাজার মুখ করে বসে আছে বেশ কিছু বিজেপির চেনা মুখ কর্মী।কেন তারা দলের সভাপতির সভায় গেলেন না।তাদের দাবি কেউ তাদের এই সভার কথা জানায়নি।একই কথা ফোনে জানিয়েছেন বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তাঁকেও নাকি দলের সভাপতির সভায় ডাকা হয়নি।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এদিন জানান তাঁদের বনগাঁর সাংসদ কলকাতায় ব্যস্ত আগামীতে দলের সভায় থাকবেন।বারাসত সাংসদীয় জেলার সভাপতি শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়ের দাবি সবাইকেই দিলীপদার সভায় ডাকা হয়েছে। কেউ যদি তৃনমূলের তামাক খেয়ে থাকে তাতে তাদের কিছু করার নেই।বনগাঁর তৃনমূল নেতা গোপাল শেঠের আহ্বান সম্মান নিয়ে কাজ করতে হলে বিজেপির নেতা কর্মীরা তৃনমূলে আসুন।

RAJARSHI Roy

Published by:Debalina Datta
First published: