কলা দেখিয়ে খাঁচাবন্দী করা হল পাগল বানরকে, স্বস্তি ফিরল মহিষাদলে!

কলা দেখিয়ে খাঁচাবন্দী করা হল পাগল বানরকে, স্বস্তি ফিরল মহিষাদলে!
Photo- File

শহরের রাস্তায় বেরোতেই ভয় পাচ্ছিলেন বাসিন্দারা

  • Share this:

#মহিষাদল: গত এক দেড় মাসে প্রায় ১০০ জনকে কামড় লাগিয়ে আহত করেছে এই বানরটি। এক দেড় মাস মহিষাদল শহর দাপিয়ে বেড়িয়েছে এই পাগল বানর। এই বানরের দাপটেই রাস্তায় বেরোতেই ভয় পাচ্ছিলেন মহিষাদল রথতলা, শহীদ বেদি এলাকা-সহ প্রায় গোটা শহরেরই মানুষজন। পুলিশ প্রশাসন থেকে বন দপ্তর, সব জায়গায় বারবার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। কাজ হয়নি। এই বানরের 'প্রতাপে' সবকিছুই তালগোল পাকিয়ে গিয়েছে। গত এক দেড় মাসে মহিষাদলের বাসুলিয়া গ্রামীণ হাসপাতালে বানরের কামড়ে আহত হয়ে বহুজনকেই ভর্তি হতে হয়েছে। এই হাসপাতালের চিকিৎসক মোহনলাল ঘোড়ইয়ের কথায়, ওই একটি বানরের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই এই হাসপাতালে এসেছেন রোগীরা। বানরের আক্রমণের শিকার প্রত্যেকেরই শরীরের মাংস খুবলে নিয়েছে ওই বাঁদরটি! এক কথায়, বাঁনরের বাঁদরামিতে রীতিমতো আতংকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়ে উঠেছিল মহিষাদল শহর জুড়ে। অবস্থা এমনই যে, শহরের রাস্তায় বেরোতেই ভয় পাচ্ছিলেন বাসিন্দারা। বাসিন্দাদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে এর আগে বন দপ্তরের টিম বার দুয়েক এসেছিলেন। কিন্তু কোনও ভাবেই বানরটিকে বাগে আনতে পারেনি তারা। শেষমেশ আজ সকালে কলা দেখিয়ে খাঁচাবন্দী করা হল পাগল বানরকে। বনকর্মীদের পাতা জালে কাজ হয়। কলার লোভেই গাছের ওপর থেকে নেমে আসে বানরটি। কলা খেতেই ঢুকে পড়ে খাঁচায়। সঙ্গে সঙ্গে আড়াল থেকে দড়ি টেনে খাঁচার দরজা বন্ধ করে দেন বনকর্মীরা। ধরা পড়ে যায় বানরটি। খবর জানাজানি হতেই স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন স্থানীয় মানুষজন।

অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছে যায় যে, বানরের বাঁদরামির হাত থেকে বাঁচতে মমতা ব্যানার্জির দিদি-কে বলোতেও ফোন করেছিলেন বাসিন্দারা! জানা গিয়েছে, মহিষাদলেরই কোনও একটি পরিবারের পোষা বানর এটি। তাঁদের বাড়ির খাঁচা থেকে পালিয়ে গিয়েই পাগলামি করতে শুরু করেছিল বানরটি।

Sujit Bhowmik
First published: January 14, 2020, 4:15 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर