Home /News /south-bengal /

West Bengal Corona News|| হুঁশ নেই বাসিন্দাদের, বর্ধমান শহরে দৈনিক সংক্রমণ ডাবল সেঞ্চুরি পার

West Bengal Corona News|| হুঁশ নেই বাসিন্দাদের, বর্ধমান শহরে দৈনিক সংক্রমণ ডাবল সেঞ্চুরি পার

বর্ধমান শহরে দৈনিক সংক্রমণ বাড়ছে।

বর্ধমান শহরে দৈনিক সংক্রমণ বাড়ছে।

At least 202 tested positive in East Bardhaman: ২৪ ঘন্টায় পূর্ব বর্ধমান জেলার সদর শহর বর্ধমানের ২০২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। বর্ধমান শহরের প্রায় সব প্রান্ত থেকেই নতুন করে করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: লাগামছাড়া গতিতে বর্ধমান শহরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এই শহরে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা দুশো ছাড়িয়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় পূর্ব বর্ধমান জেলার সদর শহর বর্ধমানের ২০২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। বর্ধমান শহরের প্রায় সব প্রান্ত থেকেই নতুন করে করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। এ ভাবে সংক্রমণ বাড়তে থাকলে বিধিনিষেধ আরও কড়াকড়ি করা হতে পারে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

রাজ্য সরকারের বিভিন্ন বিধিনিষেধেরপাশাপাশি করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে বর্ধমান শহরে দোকান খোলা বন্ধের বেশ কিছু বিধিনিষেধ ইতিমধ্যেই চালু করা হয়েছে। শহরের জি টি রোড, বি সি রোডসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে তিনদিন করে দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মার্কেট কমপ্লেক্সগুলিতে জোড়-বিজোড় পদ্ধতিতে দোকান খোলা বন্ধ রাখা হচ্ছে। এ ছাড়াও প্রতি রবিবার সব দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার শহরের সব সবজি, মাছ মাংসের দোকান ও মিষ্টির দোকান বন্ধ রাখা হয়েছে। এ ভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

আরও পড়ুন: বড় খবর! TET ২০২১-র ফল ঘোষণা, কীভাবে জানবেন রেজাল্ট? রইল বিস্তারিত...

পৌরসভা এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাসিন্দাদের সচেতন করতে দিনরাত এক করে প্রচার চালানো হচ্ছে। তা সত্ত্বেও করোনার সংক্রমণ বেড়েই চলেছে এই শহরে। গতকাল রবিবার ছুটির দিনে বর্ধমান শহরের সব দোকান বন্ধ ছিল। সেই কারণে সারাদিনই রাস্তাঘাট শুনশান ছিল। বর্ধমানের বি সি রোডে রবিবার ছুটির দিন সন্ধ্যায় মধ্য রাতের নিস্তব্ধতা লক্ষ্য করা গিয়েছে। কিন্তু সোমবার দোকান বাজার খুলতেই শহরে আবার ব্যাপকভাবে ভিড় করেছেন বাসিন্দারা। অনেকেই এখনও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেন না। শারীরিক দূরত্বও না মেনেই কেনাকাটা চলছে। অনেকে এখনও ঠিকমতো মাস্কে মুখ ঢাকছেন না। এসবের কারণে সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

আরও পড়ুন: কলকাতার কোন ওয়ার্ডে করোনা সংক্রমণ প্রায় ঘরে ঘরে! তালিকা দিল রাজ্য সরকার

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এলাকায় এলাকায় করোনায় পরীক্ষার তেমন কোনও পরিকাঠামো নেই। উপসর্গ রয়েছে এমন বাসিন্দারা নিজেদের উদ্যোগে পরীক্ষা করাচ্ছেন। আবার অনেকে হাসপাতাল বা নার্সিংহোমে চিকিৎসা করাতে গিয়ে করোনা পরীক্ষা করাচ্ছেন। তাতেই আক্রান্তদের চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে। এর বাইরেও বহু মানুষ রয়েছেন যারা নিজেদের অজান্তেই করোনার সংক্রমণ নিয়ে ঘোরাফেরা করছেন। তাদের মাধ্যমেই অন্যদের দেহে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে।

Saradindu Ghosh

Published by:Shubhagata Dey
First published:

Tags: Coronavirus, East Bardhaman

পরবর্তী খবর