দক্ষিণবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা আক্রান্ত ১০ জন ডাক্তার ও নার্স ! হাসপাতালে পরিষেবা সামলাতে নাজেহাল কতৃপক্ষ !

করোনা আক্রান্ত ১০ জন ডাক্তার ও নার্স ! হাসপাতালে পরিষেবা সামলাতে নাজেহাল কতৃপক্ষ !

দফায় দফায় চিকিৎসক, নার্স মিলিয়ে কালনা মহকুমা হাসপাতালে ১০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

  • Share this:

#বর্ধমান: দফায় দফায় চিকিৎসক নার্স মিলিয়ে কালনা মহকুমা হাসপাতালে দশ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। গত সাত দিনের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন তাঁরা।এর ফলে পূর্ব বর্ধমান জেলার গঙ্গাপাড়ের এই গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সীমিত সংখ্যক ডাক্তার নার্স নিয়েই পরিষেবা সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

গত সাত দিনে পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা মহকুমা হাসপাতালে সহকারি সুপার, দু জন চিকিৎসক, তিন জন নার্স এবং দু জন ফার্মাসিস্ট সহ দশ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। চিকিৎসার জন্য তাদের বর্ধমানের কোভিড হাসপাতাল, সেফ হোম এবং হোম আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এর ফলে হাসপাতালে ইন্ডোর ও আউটডোর সামাল দেওয়া দিনকে দিন কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

সবচেয়ে খারাপ অবস্থা হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে। এই হাসপাতালে তিনজন মেডিসিন চিকিৎসক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন পড়াশোনার জন্য অন্যত্র চলে গিয়েছেন। আর একজন করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন। বর্তমানে একজন মাত্র মেডিসিন চিকিৎসক পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে অনিয়মিত হয়ে পড়ছে আউটডোর পরিষেবা। কালনা মহকুমা হাসপাতাল ও তার সুপার স্পেশালিটি উইং মিলিয়ে রোগীর চাপ অনেক বেশি। প্রতিদিন গড়ে এক হাজারেরও বেশি রোগী এই হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, দশ জন চিকিৎসক নার্স স্বাস্থ্যকর্মী করোনা আক্রান্ত হওয়ায় আসতে পারছেন না। সেইসঙ্গে তাঁদের সংস্পর্শে আসা অনেককেই হোম আইসোলেশনে পাঠাতে হয়েছে। ফলে একসঙ্গে অনেক জন ডাক্তার নার্স না থাকায় হাতেগোনা যে সংখ্যক চিকিৎসক-নার্স রয়েছেন তাঁরাই পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছেন।সাবধানতা অবলম্বন করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাঁদের কাজ করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে হাসপাতাল বিল্ডিং নিয়মিত স্যানেটাইজ করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সেই সঙ্গে এই পরিস্থিতিতে রোগী ও তাদের আত্মীয়দের সহযোগিতা চাওয়া হচ্ছে। এই সময় বাইরে থেকে কয়েকজন চিকিৎসক নার্স স্বল্প সময়ের ভিত্তিতে এই হাসপাতালে পাঠানোর জন্য স্বাস্থ্য দফতরের কাছে আর্জি জানানোর ব্যাপারেও ভাবনা চিন্তা চলছে।

SARADINDU GHOSH

Published by: Piya Banerjee
First published: October 9, 2020, 12:08 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर