সেঞ্চুরি পেরিয়েও ফুল ফর্মে! একশো সাতেও ভোট দেন অতুলচন্দ্র

সেঞ্চুরি পেরিয়েও ফুল ফর্মে! একশো সাতেও ভোট দেন অতুলচন্দ্র
  • Share this:

#মেদিনীপুর: সেঞ্চুরি পার করেও ফুল ফর্মে! স্বাধীনতার পর থেকে একটা নির্বাচনও বাদ দেননি অতুলচন্দ্র। এখন তিনি গোটা গ্রামের আইকন। নিজে ভোট দেন সকলের আগে। বাকিদেরও সঙ্গে করে ভোট দিতে নিয়ে যান। তাঁকে নিয়ে গর্বের শেষ নেই পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের এক্তারপুর গ্রামের।

আধারকার্ডে বয়স একশো চার বছর। তাতে অবশ্য বছর তিনেকের গরমিল আছে বলেই দাবি পূর্ব মেদিনীপুরের এক্তারপুরের বাসিন্দা অতুলচন্দ্র রাজের। আসলে তাঁর বয়স একশো সাত। বয়সের ভারে চামড়ায় ভাঁজ। ঝুঁকেছে কোমর। তবুও নিজের কাজ নিজে করতেই ভালবাসেন অতুলচন্দ্র। বেগুন খেতে মাটি কোপান। পাড়া ঘুরতে বের হন লাঠি হাতে। চশমার ধার ধারেন না। খবরের কাগজ পড়েন খালি চোখেই। সাদামাটা মাছ-ভাতেই তৃপ্তি পান অতুলচন্দ্র।

পঞ্চায়েত ভোটে দাঁড়িয়েছেন দু'বার। জিতেওছেন। আজ পর্যন্ত একটা নির্বাচনেও কামাই নেই অতুলচন্দ্রের। এখন তিনি গ্রামের প্রবীণতম ভোটার। সকলের আগে তাঁর ভোট দেওয়াটা এক্তারপুরের অলিখিত নিয়ম। নিজে ভোট দেন। বাকিদেরও ভোট দিতে বলেন।

পরিবারের পদবী নিয়েও ভারী গর্ব অতুলচন্দ্রের। মহিষাদল রাজবাড়িতে গোপাল জিউর মন্দির তৈরিতে তাঁর দাদুর বড় ভূমিকা ছিল। তারই বদলে মিলেছিল রাজ উপাধি। সেই থেকেই মাইতি পরিবার হয়ে যায় 'রাজ' পরিবার।

First published: 12:19:41 PM Apr 25, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर