দক্ষিণবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

রোগীর আত্মীয়দের সর্বস্ব লুঠ, সিসিটিভি ফুটেজ থাকলেও অধরা দু্ষ্কৃতীরা

রোগীর আত্মীয়দের সর্বস্ব লুঠ, সিসিটিভি ফুটেজ থাকলেও অধরা দু্ষ্কৃতীরা
সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে দুষ্কৃতীর ছবি৷

গভীর রাত ও একদম ভোরের দিকে যখন অপেক্ষারত রোগীর আত্মীয়রা ঘুমে আচ্ছন্ন থাকছেন, সেই সুযোগ নিয়েই টাকা, মোবাইল ও ব্যাগ নিয়ে চম্পট দিচ্ছে দুষ্কৃতীরা৷

  • Share this:

#হাওড়া: একদিকে অসুস্থ পরিজনকে নিয়ে চিন্তা, অন্যদিকে দুষ্কৃতী হামলার ভয়৷ হাওড়া জেলা হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের আত্মীয় বা পরিচিতদের মাথায় এখন জোড়া দুশ্চিন্তা৷ অভিযোগ, হাসপাতালে রোগীর আত্মীয় সেজেই কিছু দুস্ক্রতী লুঠপাট চালাচ্ছে৷ রোগীর আত্মীয়দেরই টার্গেট করছে তাঁরা৷

মূলত  রাতের দিকে যখন হাসপাতাল চত্বর ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে, শুধুমাত্র আশঙ্কাজনক রোগীদের আত্মীয়রা হাসপাতালের চাতালে দুশ্চিন্তার প্রহর গুনছেন, সেই সময়ই সুযোগ বুঝে হাত সাফাই করছে দুষ্কৃতীরা৷গভীর রাত ও একদম ভোরের দিকে যখন অপেক্ষারত রোগীর আত্মীয়রা ঘুমে আচ্ছন্ন থাকছেন, সেই সুযোগ নিয়েই টাকা, মোবাইল ও ব্যাগ নিয়ে চম্পট দিচ্ছে দুষ্কৃতীরা৷ অভিযোগ, হাসপাতাল চত্বরে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে সেই দৃশ্য অনেকবার ধরা পড়লেও এখনও কাউকে ধরতে পারেনি পুলিশ৷

সম্প্রতি নিজের ৩৫ দিনের অসুস্থ শিশুকন্যাকে হাওড়া হাসপাতালে ভর্তি করেন সাঁকরাইলের বাসিন্দা ধনঞ্জয় গুপ্ত৷ তাঁর অভিযোগ, এই মাসের দশ তারিখ ভোর ৬টা নাগাদ তিনি যখন হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টারের ঘরের সামনে শুয়ে ছিলেন, তখন কেউ বা কারা তাঁর কাছে থাকা মানিব্যাগ নিয়ে চম্পট দেয়৷ হাসপাতালের কর্মীদের সাহায্য চাইলে তাঁরা হাসপাতালের সিসিটিভি পরীক্ষা করে দেখে এক যুবক ধনঞ্জয়বাবুর পাশে গিয়ে বসে তাঁর পকেট থেকে টাকার ব্যাগ নিয়ে নিয়ে হেঁটে হেঁটে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে৷

সিসিটিভির সূত্র ধরে ধনঞ্জয়বাবু হাওড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন৷ তাঁর অভিযোগ, মেয়ের বিভিন্ন ওষুধ ও আপৎকালীন পরিস্থিতির জন্য মানিব্যাগে ৫৭০০ টাকা ছিল৷ সেটা নিয়েই চম্পট দেয় সেই অভিযুক্ত যুবক৷ সেই মুহূর্তে এককাপ চা খাওয়ার টাকাও ছিল না ধনঞ্জয়বাবুর কাছে৷ বাড়ি ফেরারও উপায় ছিল না৷ বাড়িতে ফোন করে সব ঘটনা জানানোর পর বাড়ি থেকে লোক এসে তাঁকে সাহায্য করেন৷ তাঁর আরও অভিযোগ, পুলিশের কাছে অভিযোগ জানালে পাল্টা পুলিশ তাঁকেই বলে অভিযুক্তকে দেখতে পেলে যেন তাদের খবর দেন৷ তখন তারা গিয়ে অভিযুক্তকে ধরে আনবে৷ অভিযোগ, এরকম পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার কারণেই দুষ্কৃতীদের বারবাড়ন্ত হয়েছে হাওড়া হাসপাতাল চত্বরে৷

এদিকে এই ঘটনায় হাসপাতালের সুপারের দাবি, রোগীদের সব নিরাপত্তার দায়িত্ব তাঁদের কিন্তু রোগীর আত্মীয়দের দায়িত্ব হাসপাতালের নয়৷ হাসপাতাল চত্বরে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব পুলিশের বলেই দাবি কর্তৃপক্ষের৷ দরকারে সব সিসিটিভি ফুটেজ দিয়ে পুলিশকে তদন্তের সাহায্য করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে হাসপাতালের তরফে৷ পাশাপাশি রোগীর আত্মীয়দের সতর্ক ও সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন হাসপাতালের সুপার৷

Debashish Chakraborty

Published by: Debamoy Ghosh
First published: September 14, 2020, 10:20 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर