‘আমার পরিবারের বানানো খাবার খেয়েছেন অমিত শাহ’, দাবি বিভীষণ হাঁসদার

‘আমার পরিবারের বানানো খাবার খেয়েছেন অমিত শাহ’, দাবি বিভীষণ হাঁসদার

শাহ’র সে দিনের মেনুতে ছিল ভাত, শাক, পটল, বেগুন ভাজা, বিউলির ডাল, কুমড়োর ডালনা, আলু পোস্ত ও পোস্তর বড়া। আর শেষ পাতে ছিল চাটনি ও বেলিয়াতোড়ের বিখ্যাত মেচা সন্দেশ।

শাহ’র সে দিনের মেনুতে ছিল ভাত, শাক, পটল, বেগুন ভাজা, বিউলির ডাল, কুমড়োর ডালনা, আলু পোস্ত ও পোস্তর বড়া। আর শেষ পাতে ছিল চাটনি ও বেলিয়াতোড়ের বিখ্যাত মেচা সন্দেশ।

  • Share this:

ABIR GHOSHAL

#বাঁকুড়া: বাঁকুড়া সফরে এসে বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর সে দিনের মধ্যাহ্নভোজ নিয়ে ইতিমধ্যেই কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায়। ফাইভ স্টার হোটেল থেকে খাবার আনিয়ে খেয়েছেন বলে বাঁকুড়া জেলা থেকেই অমিত শাহকে কটাক্ষ করেছেন তিনি। ফলে খাবার আসলে কোথাকার ছিল তা নিয়ে সরগরম দুই শিবিরেই। যার বাড়িতে খাবার নিয়ে এত আলোচনা সেই বিভীষণ হাঁসদা অবশ্য বলছেন, রান্না হয়েছিল তাঁর বাড়িতেই। তাঁদের পরিবারের হাতে তৈরি রান্নাই খেয়েছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহেই বাঁকুড়া সফর করেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। বাঁকুড়ার রবীন্দ্রভবনে বৈঠকের পরেই তিনি মধ্যাহ্নভোজ সারতে যান চতুরডিহি গ্রামে। বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে গিয়ে তিনি বসে ছিলেন খাটিয়ার ওপরে। তারপরে খেঁজুর পাতার চাটাইয়ের উপরে বসে কাঁসার থালার উপর কলাপাতায় মধ্যাহ্নভোজ সারেন মোদির সেনাপতি। তাঁর সে দিনের মেনুতে ছিল ভাত, শাক, পটল, বেগুন ভাজা, বিউলির ডাল, কুমড়োর ডালনা, আলু পোস্ত ও পোস্তর বড়া। আর শেষ পাতে ছিল চাটনি ও বেলিয়াতোড়ের বিখ্যাত মেচা সন্দেশ। অমিত শাহ একদিকে বিভীষণ আর অন্যদিকে দিলীপ ঘোষকে পাশে বসিয়ে বেশ তৃপ্তি করেই মধ্যাহ্ন ভোজ সারেন। সে দিন মধ্যাহ্ন ভোজে হাজির ছিলেন মুকুল রায়, কৈলাস বিজয়বর্গী, রাহুল সিনহা সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারাও।

সে দিনে বিভীষণের বাড়িতে রান্না হওয়া খাবার অমিত শাহ খাননি বলেই জানান মমতা বন্দোপাধ্যায়। অন্যদিকে বিভীষণ হাঁসদার অসুস্থ মেয়ের চিকিৎসা নিয়েও শুরু হয়েছে টানাপোড়েন। বিভীষণ হাঁসদা জানিয়েছেন, তাঁর মেয়ে ভীষণ মেধাবী। কিন্তু তাঁর চিকিৎসার জন্যে মাসে অনেক টাকা খরচ হয়। সেই টাকা জোগাড় করা অসুবিধা হয়ে যায়। তিনি এই বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সাহায্য চাওয়ার কথা ভেবেছিলেন। যদিও রাজ্যের তরফে বিভীষণের মেয়ের চিকিৎসা করানো হবে বলে জানিয়েছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রীও জানিয়েছেন, ওঁনার মেয়ের চিকিৎসা ব্যবস্থা রাজ্য সরকার করছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই চিকিৎসক গিয়ে দেখে এসেছে বিভীষণের মেয়েকে। এরই মধ্যে বিজেপি নেতারা দাবি করছেন, বিভীষণের মেয়ের চিকিৎসা হবে প্রয়োজনে এইমসে। ফলে বিভীষণ হাঁসদাকে ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন অব্যাহত বাঁকুড়ায়।

Published by:Simli Raha
First published: