গ্রামবাংলাই শুধু নয়, এবার মুরগি মাংসের বিক্রি তলানিতে এই শহরেও!

গ্রামবাংলাই শুধু নয়, এবার মুরগি মাংসের বিক্রি তলানিতে এই শহরেও!

দেশে প্রতিদিন করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে প্রচার চালাচ্ছে প্রশাসন। ততই মুরগির মাংস এড়িয়ে চলছেন বাসিন্দারা।

  • Share this:

#বর্ধমান: করোনা আতংকে এবার বর্ধমান শহরেও মুরগির মাংসের দাম তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। দেশে প্রতিদিন করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে প্রচার চালাচ্ছে প্রশাসন। ততই মুরগির মাংস এড়িয়ে চলছেন বাসিন্দারা। মুরগির মাংসের সঙ্গে করোনা ভাইরাসের কোনও সম্পর্ক নেই, মুরগি থেকে করোনা সংক্রমণ নেহাতই গুজব বলা হলেও মুরগির মাংস এড়িয়ে চলা বাসিন্দার সংখ্যাই এখন বেশি। ফলে দিন দিন কমছে মুরগির মাংস বিক্রি। এতদিন ভাতার মঙ্গলকোট সহ গ্রামীণ এলাকায় গুজবে মুরগি বিক্রি কমছিল। এবার তার সঙ্গে যুক্ত হল জেলার সদর শহর বর্ধমানও।

এক মাস আগেও বর্ধমানে কেজি প্রতি মুরগির মাংসের দাম ছিল একশো আশি টাকা। সেখানে আজ কেজি প্রতি কাটা মুরগির দাম নব্বই টাকা। কোথাও কোথাও আরও কম দামে মুরগির মাংস বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, দাম কমলেও মুরগির মাংস কেনার লোক নেই। অন্য বছর হোলিতে প্রচুর মুরগির মাংস বিক্রি হতো। এবার তা হয়নি। ফলে প্রচুর মুরগি জমে গিয়েছে। কেনার লোক নেই। কেউ কেউ গুজবে কান না দিয়ে মুরগির মাংস খাচ্ছিলেন। দেশে করোনা প্রবেশের পর এখন তাঁরাও সাবধানী হয়ে পড়েছেন। অনেকেই মুরগির মাংসের দোকানের ধার দিয়েও হাঁটছেন না।

বর্ধমানে মুরগির মাংসের একটা বড় অংশ যায় হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও ফাস্ট ফুডের দোকানে। সেই সব দোকানের মালিকরা বলছেন, চিকেন দিয়ে তৈরি খাবারের চাহিদা এখন অনেকটাই কম। চিকেন বিরিয়ানি বিক্রি হচ্ছে না বললেই চলে। চিকেন তন্দুরি বা চিলি চিকেন সবেরই একই অবস্থা। কিছু বাসিন্দা রয়েছেন তাঁরা চিকেন খাচ্ছেন। তাঁরা বলছেন, মুরগির মাংস চোখের সামনে কাটিয়ে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে রান্না করে খাচ্ছি। দোকানের চিকেন আইটেম খাচ্ছি না। কারন রোগগ্রস্ত মরা মুরগি দিয়েও দোকানে সেসব খাদ্য তৈরি হয়ে থাকতে পারে। কারণ, মুরগির মাংস থেকে করোনা ভাইরাস না ছড়ালেও রাজ্যে বার্ড ফ্লু তো হচ্ছে। তাতে মুরগি মারাও যাচ্ছে। তাই মুরগির মাংস খেলেও তা চোখে দেখে কাটিয়ে এনে খাচ্ছি।

First published: March 14, 2020, 11:18 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर