করোনার উদ্বেগের মাঝেই পুজোর মুখে জ্বরে কাহিল বর্ধমানের বাসিন্দারা

করোনার উদ্বেগের মাঝেই পুজোর মুখে জ্বরে কাহিল বর্ধমানের বাসিন্দারা

করোনার আতঙ্কের মাঝেই ঘরে ঘরে জ্বর সর্দি। উদ্বেগ পিছু ছাড়ছে না বর্ধমানের বাসিন্দাদের

করোনার আতঙ্কের মাঝেই ঘরে ঘরে জ্বর সর্দি। উদ্বেগ পিছু ছাড়ছে না বর্ধমানের বাসিন্দাদের

  • Share this:

#বর্ধমান: করোনার আতঙ্কের মাঝেই ঘরে ঘরে জ্বর সর্দি। উদ্বেগ পিছু ছাড়ছে না বর্ধমানের বাসিন্দাদের। চিকিৎসকরা বলছেন, ঋতু পরিবর্তনের কারণে এই সময় জ্বর-সর্দি হয়েই থাকে। কিন্তু তা করোনার উপসর্গও তো হতে পারে!  চিকিৎসকের কাছে গেলে বেশির ভাগকেই করোনা পরীক্ষার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। তাতেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বাসিন্দাদের অনেকেই। পুজোর মুখে জ্বর-কাশি-সর্দির উপসর্গ নিয়ে চিন্তায় বর্ধমান!

অক্টোবর মাসের প্রথম পক্ষ পার হয়ে গেলেও দিনের বেলায় গুমোট গরমের হাত থেকে রেহাই মিলছে না। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ঘাম! অনেকে স্বস্তির খোঁজে ঢুকছেন এসি ঘরে। গলা ভেজাচ্ছেন ঠান্ডা পানীয়ে। রাতে আবার তাপমাত্রা কমছে অনেকটাই। চিকিৎসকরা বলছেন, আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের সময় জ্বর-সর্দির প্রকোপ দেখা দেয়। এর সঙ্গেই শহরজুড়ে ব্যাপকভাবে করোনার সংক্রমণ অব্যাহত। প্রতিদিনই জেলায় একশোর কাছাকাছি বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে ১৫-২০ জন বর্ধমান শহরের বাসিন্দা । তাই কোন জ্বর আবহাওয়া পরিবর্তন কারণে আর কোনটাই বা করোনার সংক্রমণ, তা বুঝে ওঠা যাচ্ছে না। গা-হাত-পা যন্ত্রণার পাশাপাশি কাশি-জ্বর-গলাব্যথা থাকছে। তাই ঝুঁকি না নিয়ে চিকিৎসকরা আক্রান্তদের করোনা পরীক্ষার পরামর্শ দিচ্ছেন।

বর্ধমানের কোর্ট কম্পাউন্ডে সংস্কৃতি লোকমঞ্চের পেছনে বিশেষ শিবির খুলে বেশ কিছুদিন আগে থেকেই করোনা পরীক্ষা চলছে। সেই শিবিরে দিন দিন ভিড় বাড়ছে। জ্বরে আক্রান্ত অনেকেই করোনা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পুজোর আগে নমুনা পরীক্ষা করাচ্ছেন। সব মিলিয়ে পুজোর আগে জ্বর সর্দিতে বেসামাল বর্ধমানের বহু মানুষজন। তাঁরা বলছেন, পরীক্ষা করিয়েও মুক্তি নেই। রিপোর্ট পেতে কমপক্ষে তিন চারদিন... কাজেই উৎকণ্ঠার মধ্যে কাটাতে হচ্ছে এই সময়টা! করোনা নেগেটিভ হলে তবেই স্বস্তি। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, অনেকের নমুনাই কোভিড পজিটিভ বের হচ্ছে। তাঁদের চিকিৎসার আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। অনেককে কোভিড হাসপাতালেও ভর্তি করা হচ্ছে।

SARADINDU GHOSH

Published by:Rukmini Mazumder
First published: