দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

১০ কিমি পেরোতে অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়া ২০,০০০! মাঝ রাস্তায় বিকল হয়ে রোগী মৃত্যু, তদন্তের নির্দেশ...

১০ কিমি পেরোতে অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়া ২০,০০০! মাঝ রাস্তায় বিকল হয়ে রোগী মৃত্যু, তদন্তের নির্দেশ...
প্রতীকী ছবি

সামান্য দূরত্বের জন্য অ্যাম্বুল্যান্সের ভাড়া কুড়ি হাজার টাকা! ভাড়া শুনে অবাক জেলা প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকরাও।

  • Share this:

#বর্ধমান: সামান্য দূরত্বের জন্য অ্যাম্বুল্যান্সের ভাড়া কুড়ি হাজার টাকা! ভাড়া শুনে অবাক জেলা প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকরাও। মঙ্গলবার রাতে বর্ধমানের পুলিশ লাইন এলাকায় একটি অ্যাম্বুল্যান্স বিকল হয়ে পড়ে। সেখানেই মৃত্যু হয় রোগীর। ওই অ্যাম্বুল্যান্স দশ কিলোমিটার দূরের একটি নার্সিংহোমে রোগী নিয়ে যাওয়ার জন্য কুড়ি হাজার টাকা ভাড়া চেয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। বিকল হয়ে যাওয়ায় আম্বুল্যান্সে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা।

এ দিকে ঘটনা নজরে আসার পরই জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী। তিনি বলেন, শহরের মধ্যে সামান্য দূরত্বে রোগী নিয়ে যাওয়ার জন্য এত টাকা ভাড়া চাওয়া হল কেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই অ্যাম্বুলান্সের সব কাগজপত্র ঠিকঠাক আছে কিনা তাও তদন্ত করে দেখা হবে। ইতিমধ্যেই জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মৃত ব্যক্তির নাম স্বপন কুমার দাস। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার সাতগেছিয়ার বাসিন্দা ওই ব্যাক্তিকে গত শুক্রবার বর্ধমানের উল্লাস মোড়ের কাছে দু-নম্বর জাতীয় সড়ক লাগোয়া একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছিল। তিনি শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় রোগীর আত্মীয়রা বর্ধমানের নবাবহাটের একটি নার্সিংহোমে রোগীকে স্থানান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নেন।

চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে মঙ্গলবার রাতে ভেন্টিলেশন সাপোর্ট থাকা অ্যাম্বুলান্স ভাড়া নেওয়া হয়।একটি বেসরকারি হাসপাতাল সে জন্য কুড়ি হাজার টাকা ভাড়া দাবি করে বলে অভিযোগ।

সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা অগ্রিম নেয় তারা। কিছুটা পথ যাবার পরই বিকল হয়ে যায় সেই অ্যাম্বুল্যান্স। অভিযোগ, অ্যাম্বুল্যান্সে থাকা যাবতীয় লাইফ সাপোর্ট বন্ধ হয়ে যায়।কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় ৫৫ বছর বয়সী ওই রোগীর। রোগী মৃত্যু ও অ্যাম্বুলান্সের ভাড়া শুনেই উত্তেজিত জনতা তাতে ভাঙচুর চালায়।

আম্বুল্যান্স কর্তৃপক্ষ অবশ্য কুড়ি হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য, সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা ভাড়া চাওয়া হয়েছিল। অ্যাম্বুল্যান্স বিকল হলেও ভেন্টিলেশন চালু ছিল বলে দাবি করেছে তারা। যদিও রোগীর আত্মীয় পরিজনদের অভিযোগ বাইশ হাজার টাকা ভাড়া চাওয়া হয়। কুড়ি হাজার টাকায় যেতে রাজি হয় তারা। সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়। নার্সিংহোমে পৌঁছে বাকি টাকা দিতে হবে জানান হয়েছিল। অ্যাম্বুল্যান্সটিতে অক্সিজেন সিলিন্ডার পর্যন্ত ছিল না। রোগী নিতে এসেও অ্যাম্বুল্যান্সটি ফিরে গিয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে আসে। ব্যাটারি পর্যন্ত ছিল না তাতে।

Saradindu Ghosh

Published by: Shubhagata Dey
First published: October 7, 2020, 8:45 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर