corona virus btn
corona virus btn
Loading

আর ভিন রাজ্যে কাজ নয়, এবার পাকাপাকি ভাবে রাজ্যেই থাকবেন বলে মত স্পেশ্যাল ট্রেনে ফেরা শ্রমিকদের

আর ভিন রাজ্যে কাজ নয়, এবার পাকাপাকি ভাবে রাজ্যেই থাকবেন বলে মত স্পেশ্যাল ট্রেনে ফেরা শ্রমিকদের

চব্বিশ কামরার বিশেষ ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছুটা দেরীতে রাতে ব্যান্ডেল স্টেশনে পৌঁছান তারা। দুপুর থেকেই যাত্রীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

  • Share this:

#বর্ধমান: অমৃতসর থেকে বিশেষ ট্রেনে রাজ্যে ফিরলেন প্রায় হাজার জন। শনিবার রাতে বর্ধমান ও ব্যান্ডেল স্টেশনে নামানো হয় তাদের। ব্যান্ডেল স্টেশনে নামেন আটশো চুয়ান্ন জন। তার আগে বর্ধমান স্টেশনে নামেন আরও একশো সতেরো জন যাত্রী। এই যাত্রীদের মধ্যে বেশিরভাগই ভিন রাজ্যে কাজের জন্য গিয়েছিলেন। লকডাউনের জেরে সেসব রাজ্যে আটকে পড়েছিলেন তাঁরা।

চব্বিশ কামরার বিশেষ ট্রেনটি  নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছুটা দেরীতে রাতে ব্যান্ডেল স্টেশনে পৌঁছান তারা। দুপুর থেকেই  যাত্রীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। স্যানেটাইজ করা হয়েছিল বর্ধমান ও ব্যান্ডেল স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম। রাত আটটা নাগাদ বর্ধমান স্টেশনের যাত্রীদের নামিয়ে রাত সাড়ে নটায় ব্যান্ডেল স্টেশনের তিন নম্বর প্লাটফর্মে পৌঁছয় বিশেষ ট্রেনটি।  ৮৫৪ জন যাত্রীকে নামানো হয়। তবে অন্যান্য সময় স্বাভাবিক ভাবে যেমন যাত্রীরা নামেন তেমনভাবে নামতে দেওয়া হয়নি কাউকেই। এক একটি করে কামরার দরজা খোলা হয়। সেখান থেকে এক এক করে নেমে আসেন যাত্রীরা। প্লাটফর্মে পা দেওয়া মাত্র তাদের থার্মাল স্ক্রিনিং করা হয়। এরপর তাদের বসানো হয় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পেতে রাখা চেয়ারে।

আরও পড়ুন করোনার বাড়বাড়ন্ত ! লকডাউনে ৪-এ কলকাতাসহ ৩০ টি জোনে আরও কড়া হতে পারে নিয়ম

যাত্রীদের মধ্যে শ্রমিক ছাড়াও ছিলেন পর্যটকরা। ব্যান্ডেলে নামা যাত্রীরা হুগলি, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, কলকাতা, হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বাসিন্দা। বিয়াল্লিশটি বাসে চাপানো হয় যাত্রীদের। কোথাও গভীর রাত কোথাও শেষ রাতে জেলায় পৌঁছন যাত্রীরা। বর্ধমানের যাত্রীদের কৃষি খামার লাগোয়া কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। হুগলি জেলার যাত্রীদের মহেশ্বরপুর হাইস্কুলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের লালারসের নমুনা সংগ্রহ হবে। সুস্থদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে।

ব্যান্ডেল স্টেশনে চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিশ আধিকারিক, রেল পুলিশ আধিকারিক ও হুগলি জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন৷ যেসব জেলার যাত্রীরা ছিলেন সেইসব জেলার স্বাস্থ্য দফতর ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা ছিলেন। তাঁরা যাত্রী বোঝাই বাসগুলিকে গাইড করে জেলার কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে নিয়ে যান।

বিশেষ ট্রেনে ফেরত পর্যটকরা বললেন, এবার আনন্দের জন্য বেড়াতে গিয়ে যথেষ্ট দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। উৎকন্ঠার মধ্যে দীর্ঘদিন কাটাতে হয়েছে। এরপর বেড়াতে যাওয়ার আগে সব দিক ভেবেচিন্তে পা বাড়াতে হবে বলেই তাদের মত। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রাজ্যে ফিরতে পেরে খুশি ভিন রাজ্যে আটকে থাকা শ্রমিকরাও। তারা বললেন, এভাবে রাতারাতি লকডাউনে কাজ হারিয়ে উপার্জন হীন হয়ে পড়তে হবে তা ভাবতে পারিনি তারা। হাতে অর্থ না থাকায় খুবই কষ্ট হয়েছে। বাড়ি থেকে অ্যাকাউন্টে কিছু কিছু টাকা পাঠিয়েছে তাতে কোনও রকমে দিন কেটেছে তাদেক। এবার পাকাপাকি ভাবে রাজ্যেই থাকবেন বলে মনস্থির করেছেন তাদের অনেকে।

Published by: Pooja Basu
First published: May 17, 2020, 11:18 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर