Home /News /south-bengal /
University Of Gour Banga || গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, উচ্চ আদালতে জনস্বার্থ মামলা

University Of Gour Banga || গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, উচ্চ আদালতে জনস্বার্থ মামলা

অর্পিতা মুখোপাধ্যায়

অর্পিতা মুখোপাধ্যায়

University Of Gour Banga || অভিযোগ, ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়। আবেদনের শেষদিন ছিল ২০২১ সালের ১৮ই জানুয়ারি। এর মাত্র দু'দিনের ব্যবধানে ২১ জানুয়ারি শুরু হয় ইন্টারভিউ।

  • Share this:

এবার মালদহের গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ। উচ্চশিক্ষা দফতরের নিষেধাজ্ঞা সত্বেও বেআইনিভাবে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ১১ জন শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ। পার্থ চট্টোপাধ্যায় শিক্ষামন্ত্রী থাকাকালীন এই পদগুলিতে নিয়োগ হয়। নিয়োগে টাকার লেনদেন ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে উচ্চআদালতে জনস্বার্থ মামলা করছে বিজেপি। যদিও এনিয়ে কোনও মন্তব্যে নারাজ গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য শান্তা ছেত্রী। বিষয়টি জানা নেই বলে দাবি জেলা তৃণমূল সভাপতিরও।

উল্লেখ্য, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১ সালে ১১ জন শিক্ষক নিয়োগ হয়।এই নিয়োগ নিয়ে উচ্চশিক্ষা দফতরে অভিযোগ জমা পড়েছিল। কারণ এই নিয়োগের বিজ্ঞাপন থেকে আবেদন, এমনকি ইন্টারভিউ ও নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছিল উচ্চশিক্ষা দফতর। অথচ, এরপরেও অজ্ঞাত কারণে ১১ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয় ফিজিওলজি, অঙ্ক, সাংবাদিকতা, ফুড ও নিউট্রিশন, ভূগোল অর্থনীতি প্রভৃতি বিভাগে। যদিও এরমধ্যে দুইজন শিক্ষক পরবর্তীকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি ছেড়ে চলে যান।

আরও পড়ুন: তৈরি হচ্ছে লিস্ট, পার্থ ঘনিষ্ঠ জেলা নেতাদের ডাকবে ইডি! কাঁপন ধরছে তৃণমূলে

আরও পড়ুন: বড় ঘোষণা। ই-টেন্ডার নিয়ে নয়া নিয়ম নবান্নের! দুর্নীতি রুখতে নয়া দাওয়াই?

অভিযোগ, ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়। আবেদনের শেষদিন ছিল ২০২১ সালের ১৮ই জানুয়ারি। এর মাত্র দু'দিনের ব্যবধানে ২১ জানুয়ারি শুরু হয় ইন্টারভিউ। ২৯ জানুয়ারি উচ্চশিক্ষা দফতর এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় না এগোনোর নির্দেশ দেয়। কিন্তু, এরপরেও ২ ফেব্রুয়ারি নিয়োগ হয় বলে অভিযোগ। এমনকি নিয়োগের ক্ষেত্রে তফসিলিদের জন্য সংরক্ষিত আসনেও সাধারণ শিক্ষক নিয়োগ করা হয় বলেও অভিযোগ।

বিজেপি মালদহ দক্ষিণ জেলা সভাপতি পার্থসারথি ঘোষের অভিযোগ, ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হয়েছে। তৃণমূল ঘনিষ্ঠ এক অধ্যাপক নেত্রী নিয়োগে কলকাঠি নেড়েছেন। অর্থের লেনদেনও হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা করা হবে বলেও জানিয়েছেন জেলা বিজেপি সভাপতি। কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছেন তিনি। সঠিক তদন্ত হলে মালদহের তৃণমূল নেতাদের নামও উঠে আসবে বলে দাবি বিজেপি সভাপতির।

যদিও বিজেপির অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। মালদহের তৃণমূল সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, নিয়োগে অনিয়ম হয়ে থাকলে নিশ্চয়ই তদন্ত হবে। তবে বিষয়টি জানা না থাকায় অভিযোগ সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।

Published by:Rachana Majumder
First published:

Tags: Arpita Mukherjee

পরবর্তী খবর