শাসক দলের দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ! ঠিক কী অভিযোগ তাঁদের বিরুদ্ধে?

শাসক দলের দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ! ঠিক কী অভিযোগ তাঁদের বিরুদ্ধে?

নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাবে বলে জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। তাঁদের বিরুদ্ধে ঠিক কি অভিযোগ রয়েছে?

নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাবে বলে জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। তাঁদের বিরুদ্ধে ঠিক কি অভিযোগ রয়েছে?

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান: নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অভিযোগ উঠল পূর্ব বর্ধমান জেলার শাসক দলের দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে। বর্ধমান উত্তর ও বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে।বর্ধমান দক্ষিন কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী খোকন দাস ও বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নিশীথ মালিক নির্বাচনের বিধিভঙ্গ করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাবে বলে জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। তাঁদের বিরুদ্ধে ঠিক কি অভিযোগ রয়েছে? শিবরাত্রি উপলক্ষে বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী খোকন দাস ও বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নিশীথ মালিক বর্ধমানের নবাবহাটে একশো আট শিব মন্দিরে গিয়েছিলেন। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের আরোগ্য কামনায় পুজো দেন তাঁরা। এতক্ষণ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। এরপরই তাঁরা একটি হেলমেট বিলি কর্মসূচিতে অংশ নেন। একশো আট শিব মন্দিরের কাছে রাস্তার পাশে নবাবহাট যুব তৃনমুল কংগ্রেসের উদ্যোগে পথ নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা কর্মসূচি চলছিল। সেই সঙ্গে হেলমেট বিলি চলছিল।রাস্তায় মোটর সাইকেল নিয়ে বের হওয়া হেলমেট না থাকা মোটর সাইকেল আরোহীদের নতুন হেলমেট দেওয়া হয়। সেই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের এই দুই প্রার্থী। তা নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

বাইক আরোহীদের হেলমেট দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই প্রার্থীই। বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী খোকন দাস বলেন, প্রতিবছরই এই অনুষ্ঠান হয়। এবারও হয়েছে। ভুল স্বীকার করে বর্ধমান উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক নিশীথ মালিক সংবাদ মাধ্যমকে বলেন,নির্বাচন বিধির কথা মাথায় ছিল না। মানুষের সুরক্ষার কথা ভেবে নিজেদের অজান্তে হেলমেট বিলি করে ফেলেছি। এরপর থেকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকব।

এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করার কথা জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি নেতা শ্যামল রায় বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ জানাব। দশ বছর ধরে অসৎ উপায়ে জমানো টাকা এখন ভোটের মুখে অন্যভাবে খরচ করতে চাইছে রাজ্যের শাসক দল।বিভিন্ন উপায়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে।

Saradindu Ghosh

Published by:Debalina Datta
First published: