বিজেপির মহিলা কর্মীকে প্রকাশ্যে কান ধরে ওঠবোস করানোর অভিযোগ! শোরগোল বর্ধমানে 

তবে মহিলাকে কান ধরে ওঠবোস করানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় ওই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী।

তবে মহিলাকে কান ধরে ওঠবোস করানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় ওই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী।

  • Share this:

#বর্ধমান: বিজেপির এক মহিলা কর্মীকে প্রকাশ্যে রাস্তার উপর দাঁড় করিয়ে কান ধরে ওঠবোস করাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের এক স্থানীয় নেত্রী! বর্ধমানে এমনই ঘটনা ঘটেছে। সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই জোর শোরগোল শুরু হয়েছে জেলাজুড়ে। শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চাপানউতোর। তবে মহিলাকে কান ধরে ওঠবোস করানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় ওই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। তাঁর দাবি, ওই মহিলাকে মারধর করা হতো। তিনি সময়মতো এলাকার পৌঁছে মারধর আটকেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমানের কানাইনাটশাল এলাকায় বুধবার বিজেপির এক মহিলা কর্মীকে তৃণমূলের নেতা কর্মীরা ঘিরে ধরে বলে অভিযোগ। এরপর তাঁকে ঘিরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। এমনকি তাঁকে তাঁর নাবালিকা মেয়ের সামনেই মারধর করার হুমকিও দেওয়া হয়। এরই মধ্যে স্থানীয় তৃণমূল নেত্রী ওই বিজেপি কর্মীকে প্রকাশ্যে রাস্তার ওপর কান ধরে ওঠবোস করতে বলেন, এমন অভিযোগ। ভয়ে ওই মহিলা বিজেপি কর্মী কান ধরে ওঠবোস করতে শুরুও করেন।

যদিও যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই বৈকুন্ঠপুর ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য তথা স্থানীয় তৃণমূল নেত্রী মিতা দাস তা অস্বীকার করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে মিতা দাস বলেন, ওই মহিলার স্বামী ও ওই মহিলা মিলে তৃণমূলের ছেলেমেয়েদের মারধর করেছে। সেই কারণে তৃণমূলের অন্যান্য কর্মীরা তাঁকে ঘিরে ধরেছিল। তিনি তাঁকে সেখানে বাঁচাবার জন্য গিয়েছিলেন। তিনি তাঁকে কান ধরে ওঠবোস করাতে বাধ্য করেননি। ওই মহিলাকে প্রহৃত হওয়া থেকে তিনি রক্ষা করেছেন বলে দাবি তৃণমূল কংগ্রেসের ওই মহিলা নেত্রীর।

বিজেপির পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। বিজেপি নেতা শ্যামল দাস বলেন, কি হয়েছে তা ভিডিওর মাধ্যমে সবাই দেখেছেন। শাসক দলের এই ভূমিকা হওয়া উচিত নয়। চারদিকে ঘরবাড়ি ভাঙচুর, মারধর চলছে। অবিলম্বে এই হিংসার রাজনীতি বন্ধ হোক।

Published by:Pooja Basu
First published: