বীরভূমে প্রচার সামগ্রীতেও সেয়ানে সেয়ানে টক্কর রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে

বীরভূমে প্রচার সামগ্রীতেও সেয়ানে সেয়ানে টক্কর রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে

ব্যানার -ফেস্টুন-পতাকা এই নিয়েও নাকি কাঁটায় কাঁটায় টক্কর৷

ব্যানার -ফেস্টুন-পতাকা এই নিয়েও নাকি কাঁটায় কাঁটায় টক্কর৷

  • Share this:

#বীরভূম: একদম শেষ দফায় বীরভূমের নির্বাচন ২৯ এপ্রিল।  ইতিমধ্যেই জোরকদমে প্রচার শুরু করেছেন সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও কর্মী সমর্থকরা। দেওয়াল দখলের পর লিখনও শেষ। বীরভূম জেলা বিজেপি প্রচারে তৃণমুলের থেকে একধাপ এগিয়ে থাকতে প্রচুর পরিমানে ব্যানার, ফেস্টুন, হোডিং, পতাকা সহ নানান সামগ্রী নিয়ে নেমে পড়েছে ভোটে প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে,  ভোটারদের কাছে পৌছানো মাধ্যম হলো দেওয়াল লিখন ব্যানার, ফেস্টুন, হোডিং ইত্যাদি। পাশাপাশি প্রার্থীর নিজে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে প্রচার তো আছেই। তবে এবারে বলা মুশকিল সবুজ-গেরুয়ার টক্করে কে এগিয়ে?

রাজনৈতিক মহলের ধারনা বীরভূম জেলা বিজেপি অনুব্রত মণ্ডলের সমানে টক্কর দেওয়ার কৃতিত্ব দাবি করতেই পারে এই ভোটে। কারণ ব্যানার, ফেস্টুন, পতাকার যদি হিসাব করা হয় তাহলে এক প্রকার দেখা যাবে শাসক দলের সঙ্গে সমানে সমানে টক্কর দিচ্ছে বীরভূম জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। ভারতীয় জনতা পার্টির সূত্রে জানা গিয়েছে, কেবল সিউড়ি শহর কমিটির পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত ১০ হাজার পতাকা লাগানো হয়েছে আরো লাগানো হবে ভোটের আগে। ইতিমধ্যেই শহরের বিভিন্ন জায়গায় লাগানো হচ্ছে ওই ১০ হাজার পতাকা। তাছাড়া প্রার্থীর ছবি দেওয়া বেশ কিছু সংখ্যক হোডিং, ফেস্টুনও লাগানো হচ্ছে জেলার বিভিন্ন জায়গায়। বিজেপির নেতারা জানিয়েছেন প্রয়োজন পড়লে আরও কিছু পতাকা, ফেস্টুন লাগানো হবে তৃণমুলের থেকে এগিয়ে থাকতে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতেই পারে দুবরাজপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ক্ষেত্রে আগেই ৩৫ হাজার পতাকা, প্রার্থীর ছবি দেওয়া  প্রচুর ব্যানার ও ফেস্টুর সহ নানান সামগ্রী এসেছে। স্থানীয় বিজেপি নেতাদের থেকে জানা গিয়েছে, ওই বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য আরও এক লরি নানা প্রচার সামগ্রী আসতে পারে। একই চিত্র ময়ূরেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের ক্ষেত্রে ৩৫ হাজার মত পতাকা এসেছে দুই দফায়। তাছাড়া তাঁরা নিজেরাও ব্যানার বানাতে দিয়েছেন। তাছড়া ফেস্টুন তৈরি করানো হয়েছিল প্রায় ১৫০০ । আরও ছ'শো ফেস্টুন অর্ডার দেওয়া হয়েছে প্রচারের জন্য।  বিজেপি দলীয় সূত্রে খবর একইভাবে জেলার প্রতিটি বিধানসভায় কম বেশি একই ব্যানার, ফেস্টুন, পতাকা আনানো হয়েছে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও অর্ডার দেওয়া হয়েছে।

বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা জানিয়েছেন পর্যাপ্ত প্রচারের জন্য যে সমস্ত সামগ্রীর প্রয়োজন সেগুলো সবই আসছে। তাছাড়া যেগুলি প্রয়োজন হচ্ছে সেগুলি সরবরাহ করা হচ্ছে। শুধু প্রচার নয় মানুষের সমর্থন যেমন আমাদের সঙ্গে আছে। ক্ষমতায় এলে কাজটাও সেই একইভাবে হবে।" অন্যদিকে তৃণমূল দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম দফায় জেলার প্রতিটি অঞ্চলে ৬০০ থেকে ৭০০ করে পতাকা ও ৫০ টি করে ব্যানার দেওয়া হয়েছে। তবে আরও প্রচুর অর্ডার দেওয়া হয়েছে। প্রচার সামগ্রী। এক কথায় বলা যেতেই প্রচার সামগ্রীতে সেয়ানে সেয়ানে টক্কর চলছে এবার বীরভূমে।

 Supratim Das

Published by:Debalina Datta
First published:

লেটেস্ট খবর